জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “শফী হুজুরের নারী শিক্ষাবিরোধী বক্তব্য সংবিধানবিরোধী, মৌলিক অধিকারবিরোধী, মানবাধিকার বিরোধী, নারী অধিকার বিরোধী, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী। এমনকি ইসলামবিরোধী। ইসলামে কোথাও নারী শিক্ষার বিরুদ্ধে কোনো কথা নেই। তারা বলেন, আহমদ শফী ধর্মের অপব্যাখ্যা করে মনগড়া ফতোয়া দিয়ে দেশ ও সমাজকে আলো থেকে অন্ধকারে নিতে চান।”

বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ-খবরদারি-নজরদারিতে আনতে চায়। সরকার দাওরায়ে হাদিস সনদকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়েছে। এটাকে সরকারের দুর্বলতা ভেবে তেঁতুল হুজুররা বাড়াবাড়ি করলে, তার ফলাফল তাদের ভোগ করতে হবে।

অবশ্য আল্লামা আহমদ শফী আজ এক বিবৃতিতে বলেছেন যে, তার বক্তব্য ভুল ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে মিডিয়ায়। তারপরেও আহমদ শফীকে এভাবে কটাক্ষ করা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন বিশিষ্ট জনরা।

তাদের এ ধরনের বক্তব্য কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ ও নিন্দা অব্যাহত থাকে। কেউ লিখেছেন,  তবে হা! প্রত্যেকে তার মতামত ব্যক্ত করতে পারে; কিন্তু ইনু সাহেবের এ ধরনের বিবৃতি কোন মতামত নয়, অশ্লীল অশ্রাব্য ভাষায় প্রদর্শন মাত্র। নিচু ও ধর্মবিদ্বেষী প্রকৃতির লোকেরাই এমন মন্তব্য করতে পারে।