একাদশ নির্বাচনে গণতন্ত্রের পরাজয় হয়েছে এবং সবচেয়ে বড় পরাজয় হয়েছে আওয়ামী লীগের। নির্বাচনের নৈতিক পরাজয় ঢাকতে এবং জনগণের দৃষ্টিকে ভিন্নখাতে নিতেই আওয়ামী লীগ বিজয় উৎসব করছে।

আজ শনিবার সকাল ১০টায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকীতে তার সমাধিস্থল যিয়ারতের পর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বা ২০ দল নিয়ে কোনো টানাপোড়েন নেই বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, শাহজাহান ওমর, রুহুল আলম চৌধুরী, এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী, ফরহাদ হালিম ডোনার, একেএম আজিজুল হক, কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল হাবিব দুলু, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কামরুজ্জামান রতন, শিরিন সুলতানা, কায়সার কামাল, রিয়াজুল ইসলাম রিজু, দেওয়ান সালাহউদ্দিন, অধ্যক্ষ সোহরাবউদ্দিন, আবদুস সালাম আজাদ, মীর নেওয়াজ আলী, আমিরুল ইসলাম আলিম, হারুনুর রশীদ, রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।

সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে ছিলেন আফরোজা আব্বাস, হেলেন জেরিন খান, নবী উল্লাহ নবী, আনোয়ার হোসাইন, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাদেক আহমেদ খান, শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, শাহ নেসারুল হক, মোরতাজুল করীম বাদরু, নুরুল ইসলাম নয়ন, মামুন হাসান, এসএম জাহাঙ্গীর, শফিকুল ইসলাম মিল্টন, গোলাম মওলা শাহিন, রাজীব আহসান, আকরামুল হাসান।

বিএনপি ছাড়াও মহানগর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, মহিলা দল, ড্যাব, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ, শ্রমিক দল, ছাত্র দল, ওলামা দল, মুক্তিযোদ্ধা দলসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদাভাবে ফুল দেয়া হয়।