Monthly Archives: জুলাই ২০২০

মাসিক আদর্শ নারীর করোনা ভাইরাস সংখ্যা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে বিশেষ ক্যাম্পেইন চলছে …

মাসিক আদর্শ নারীর বিশেষ ক্যাম্পেইনে অংশ নিন || “করোনা ভাইরাস সংখ্যা” ঘরে ঘরে পৌঁছে দিন …

“করোনা ভাইরাস”-এর বর্তমান দুর্যোগপূর্ণ সময়ে মানুষের জান বাঁচানোর পাশাপাশি তাদের ঈমান বাঁচানোর ফিকির করা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে আমরা মাসিক আদর্শ নারীর “করোনা ভাইরাস সংখ্যা” আরো বেশী পরিমাণে মুদ্রণ করে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি আল-হামদুলিল্লাহ।

মাসিক আদর্শ নারীর চলতি করোনা ভাইরাস সংখ্যা এ সময়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা। এ সংখ্যায় “করোনা ভাইরাস” বিষয়ে রয়েছে–

► মহামারির পরীক্ষায় ঈমানকে অটুট রাখতে হবে
► মহামারি কেন হয় এবং পরিত্রাণের উপায় কী?
► মহামারির দুর্যোগে মুমিনদের করণীয়
► মহামারিতে রাসূলুল্লাহর (সা.) যুগান্তকারী ব্যবস্থা
► করোনা ভাইরাসে আমি আল্লাহকে পেয়েছি
► করোনার প্রতিরোধে ঘরবাড়ী পরিষ্কার রাখুন
► করোনা ভাইরাস থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়
.
অন্যান্য আয়োজনে আরো রয়েছে–

➤ আদর্শ জীবন গঠনে নির্দেশনা
➤ কীভাবে মুত্তাকী হয়ে জান্নাত লাভ করবো
➤ পর্দার জন্য নারীদের চেহারা ঢাকতে হবে
➤ হিউম্যান মিল্কব্যাংক ও ইসলাম
➤ সংসার সুখের হয় স্বামী-স্ত্রীর গুণে
➤ মহানবীর (সা.) মহান মি‘রাজ
.
এ ছাড়াও আরো রয়েছে–

➠ সুওয়াল-জাওয়াব ৥ হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার, মাস্ক পরে নামায আদায়, নামাযে ফাঁক হয়ে দাঁড়ানো প্রভৃতি প্রসঙ্গে
➠ জীবন্তিকা ৥ নির্মম বিভীষিকা
➠ ধারাবাহিক উপন্যাস ৥ হেমসে প্রলয়ংকরী আঘাত
➠ ঐতিহাসিক কাহিনী ৥ মূসা ও খিজির (আ.)-এর রোমাঞ্চকর ঘটনা
➠ শিক্ষণীয় ঘটনা ৥ গুহাতে আটকে পড়া তিনব্যক্তির কাহিনী
➠ সবুজ কুঁড়ি ৥ রচনাবলি, টক-মিষ্টি-ঝাল, জানা-অজানা ও প্রতিযোগিতা
.
এ সংখ্যাটি “করোনা ভাইরাস সংখ্যা“ হওয়ার কারণে এ সংখ্যার গুরুত্ব অনেক বেশী। তাই আমরা একটি বিশেষ কম্পেইন চালু করেছি যে, মাসিক আদর্শ নারীর করোনা ভাইরাস সংখ্যা মাত্র ৬ কপির নগদ মূল্য (পাইকারী রেটে ৯৬ টাকা) মাসিক আদর্শ নারীর পারসোনাল বিকাশ 01791-997733 নম্বরে সেন্ডমানি করে পাঠালে এবং নাম-ঠিকানা উক্ত নাম্বারে বাংলায় মেসেজ করে পাঠালে, আমরা সেই ৬ কপির সাথে বাকীতে আরো ২০ কপি যোগ করে আপনার নিকট পাঠাবো এবং এলাকার ইমাম-মুআজ্জিন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে হাদিয়া স্বরূপ দেয়ার জন্য আরো ৫ কপি ফ্রি হিসেবে দিবো, এ ছাড়াও আপনার জন্য সৌজন্য স্বরূপ ১কপি দেয়া হবে। এভাবে সর্বমোট ৩২ কপি আপনার ঠিকানায় পাঠানো হবে। সেই বাকীতে পাঠানো ২০ কপির পাইকারী মূল্য বাবদ ৩২০ টাকা সেগুলো সেল করার পরে মাসিক আদর্শ নারীর পারসোনাল বিকাশ 01791-997733 নম্বরে সেন্ডমানি করে পাঠাবেন। আর যদি সেগুলো সেল করতে না পারেন, তাহলে পরবর্তীতে সেই পত্রিকাগুলো আমাদের নিকট ফেরত পাঠিয়ে দিবেন।

সুতরাং উক্ত ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করতে চাইলে ৬ কপির পাইকারী বিনিময় স্বরূপ ৯৬ টাকা মাসিক আদর্শ নারীর পারসোনাল বিকাশ 01791-997733 নম্বরে সেন্ডমানি করে পাঠান। অতঃপর আপনার নাম-ঠিকানা উক্ত নাম্বারে বাংলায় মেসেজ করে পাঠান এবং সেখানে লিখে দিন–“কম্পেইনে অংশগ্রহণ বাবদ ৬ কপির টাকা পাঠালাম।” এরপর অবশিষ্ট ২০ কপির পাইকারী বিনিময় ৩২০/= টাকা পত্রিকাগুলো সেল করার পর পাঠাবেন (প্রতি কপি খুচরা ২০ টাকা করে সেল হবে)। এ ছাড়াও ফ্রি-প্রদত্ত কপি আপনার স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেব ও মুআজ্জিন সাহেব এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে হাদিয়া স্বরূপ দিবেন।
.
এ ব্যাপারে কোন তথ্য জানতে ফোন করুন–
01715-039399, 01710-709598
.
———————————————
মহান আল্লাহ আমাদের সর্বপ্রকার দ্বীনী
মেহনতকে কবূল করুন। আমীন।
.
.

Tagged ,

জাতীয় ইমাম ও উলামা পরিষদের সভায় হাফেজী মাদরাসা খুলে দেয়ায় সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও কিতাববিভাগ খুলে দেয়ার আহবান

জাতীয় ইমাম ও উলামা পরিষদের সভায় হাফেজী মাদরাসা খুলে দেয়ায়

ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও মাদরাসাসমূহের কিতাববিভাগ খুলে দেয়া আহবান

 

 

গতকাল (৮ জুলাই) বাদ ইশা জাতীয় ইমাম ও উলামা পরিষদের উদ্যোগে এক জরুরী সভা সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় জামিয়া মাহমূদিয়া ইসহাকিয়া মানিকনগর, ঢাকা-ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক–সভাপতি, জাতীয় ইমাম ও উলামা পরিষদ–মুহতামিম, জামিয়া মাহমূদিয়া ইসহাকিয়া-এর দু‘আ নিয়ে মাওলানা আবদুল কুদ্দুস কাসেমী–নির্বাহী সভাপতি, জাতীয় ইমাম ও উলামা পরিষদ–শাইখুল হাদীস ও নায়েবে মুহতামিম–জামিয়া মাহমূদিয়া ইসহাকিয়া-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় করোনা পরিস্থিতি ও কওমী মাদরাসাসমূহের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

 

উক্ত সভায় সকল হাফেজী মাদরাসা ও কওমী মাদরাসাসমূহের হিফজখানাগুলোকে খোলার অনুমতি দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। সেই সাথে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নিদের্শনা দিয়ে অবিলম্বে কওমী মাদরাসাসমূহের কিতাব বিভাগকে খুলে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

 

এ ছাড়াও উক্ত সভায় আসন্ন কুরবানী বিষয়ে দেশবাসী সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, বর্তমান সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতেও যাদের উপর কুরবানী করা ওয়াজিব, তাদের জন্য কুরবানী না করে সেই টাকা অসহায় মানুষদেরকে দান করে দেয়া জায়িয হবে না। বরং তাদেরকে ওয়াজিব হুকুম পালন হিসেবে অবশ্যই কুরবানী করতে হবে। তবে তারা ইচ্ছা করলে কুরবানী করার পর বর্তমান পরিস্থিতির বিবেচনায় সেই গোশত সবটুকু কিংবা বেশী পরিমাণে অসহায়-গরীব মানুষকে দান করে দিতে পারেন। আর যদি কুরবানী ওয়াজিব হওয়ার পরও কেউ বর্তমান দুর্যোগের অবস্থায় কুরবানীর পশু সময়মতো না পাওয়ার কারণে কুরবানী করতে না পারেন, তাহলে তার উপর থেকে কুরবানীর যিম্মা রহিত হবে না। তাই সেই অবস্থায় কুরবানীর দিনসমূহ অতিবাহিত হওয়ার পর তার কুরবানীর পরিমাণ টাকা দিয়ে পশু কিনে অথবা সেই পরিমাণ টাকা গরীব-মিসকীনদেরকে সদকা করে দিতে হবে।

 

উক্ত সভায় ‍কুরবানী ওয়াজিব হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় প্রসঙ্গে বলা হয়, যাদের নিকট নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান প্রভৃতি আবশ্যকীয় সম্পদ থেকে অতিরিক্তভাবে নগদ টাকা, ব্যবসার মাল, কিছু স্বর্ণ বা কিছু রূপা কিংবা প্রয়োজনের অতিরিক্ত ঘরোয়া আসবাব অথবা অতিরিক্ত বাড়ী-ঘর বা জায়গা-জমি ইত্যাদি রয়েছে যা সব মিলিয়ে রূপার নিসাব তথা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার সমমূল্যের (যা বর্তমান বাজার দর হিসেবে প্রায় ৪৮,০০০/= টাকা হয়) পরিমাণ হয়, যদি এ পরিমাণ বা তার বেশী অর্থ-সম্পদ ঈদুল আজহা তথা আইয়্যামে নহরের ৩দিনের মধ্যে তার মালিকানায় থাকে, তার উপর বকরী বা ভেড়া কিংবা দুম্বা সম্পূর্ণ একাই একটি কুরবানী করা ওয়াজিব। তবে একটি বড় পশুতে (গরু, মহিষ, উট-এর মধ্যে) কয়েকজন (সর্বোচ্চ ৭জন) শরীক হয়ে প্রত্যেকে কমপক্ষে এক সপ্তামাংশ বা তার বেশী অংশ নিয়ে শরীকীভাবে কুরবানী করলেও সেই ওয়াজিব আদায় হবে।

 

উক্ত সভায় বক্তব্য পেশ করেন জাতীয় ইমাম ও উলামা পরিষদের মহাসচিব ও মাসিক আদর্শ নারী সম্পাদক মুফতী আবুল হাসান শামসাবাদী এবং জাতীয় ইমাম ও উলামা পরিষদের নেতৃবর্গ মাওলানা আলমগীর বিন নূরী-খতীব-বাইতুল করীম জামে মসজিদ-মানিকনগর, মাওলানা হেদায়েত হোসেন-মুহতামিম-ইছহাকিয়া আজিজিয়া-মানিকনগর, মাওলানা জামালুদ্দীন-খতীব-বাইতুত তাক্বওয়া মসজিদ-পূর্ব মানিকনগর , মুফতী ইমরানুল বারী সিরাজী-খতীব-পীর ইয়ামেনী মসজিদ-গুলিস্তান, মাওলানা সলীমুল্লাহ মুহাদ্দিস-জামিয়া মাহমূদিয়া ইসহাকিয়া-মানিকনগর, মুহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দীন সাব্বির-চেয়ারম্যান-আল মাদানী ফাউণ্ডেশন-মুগদা, হাফেজ মাওলানা সাইফুল্লাহ, খতীব, বাইতুন নাহার জামে মসজিদ, মিয়াজান লেন-মানিকনগর, মুফতী যুবায়ের আহমদ-খতীব-মদীনা মনোয়ারা মসজিদ-ওয়াসা রোড-মানিকনগর প্রমুখ।

.

.

Tagged ,

যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা ফাঁস: সৌদি হবে দুই ভাগ, ইরাক তিন খণ্ড!

রাহবার: মধ্যপ্রাচ্যকে ভেঙে খানখান করতে ‘নয়া মধ্যপ্রাচ্য’ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু করেছে পশ্চিমারা। আর এর নেতৃত্ব দিচ্ছে বিশ্বমোড়ল যুক্তরাষ্ট্র।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, অন্যতম বড় দেশ সৌদি আরব ভেঙে দুই ভাগ করা হবে। পবিত্র দুই শহর মক্কা ও মদিনা নিয়ে হবে একটি দেশ। যার নাম দেয়া হয়েছে ‘ইসলামিক স্যাকরেড স্টেট’ তথা ইসলামী পবিত্র রাষ্ট্র।

আর এর প্রতিবেশী দেশ ইরাককে করা হবে তিন খণ্ড। কুর্দি সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে হবে ‘ফ্রি কুর্দিস্তান’, বর্তমান রাজধানী বাগদাদ ও অন্যতম বড় শহর বসরা নিয়ে দ্বিতীয় খণ্ডের নাম হবে ‘আরব শিয়া স্টেট’।

আর আরব সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে তৃতীয় খণ্ড ‘ইরাক সুন্নি স্টেট’। খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক গবেষণা ম্যাগাজিন গ্লোবাল রিসার্চের রোববারের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে ১৮ নভেম্বর।

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে এ নকশা বহুদিনের। ২০০৬ সালে ইসরাইলের রাজধানী তেলআবিবে এক গোপন বৈঠকে প্রথম ‘নতুন মধ্যপ্রাচ্য’র কথা তোলেন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রভাবশালী কূটনীতিক কনডোলিজা রাইস। এরপর এক সংবাদ সম্মেলনে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘নতুন মধ্যপ্রাচ্য’র জন্ম এখন ক্রমেই বাস্তব হয়ে উঠছে। আমাদেরকে (যুক্তরাষ্ট্রকে) এ ব্যাপারে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে যে, আমরা নতুন মধ্যপ্রাচ্য তৈরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি এবং নিশ্চিতভাবেই পুরনো মানচিত্রে আমরা ফিরছি না।’

মার্কিনিদের নতুন এ ধারণার ক্ষেত্রে আগেরগুলোর সঙ্গে এর সবচেয়ে বড় পার্থক্যটি হচ্ছে, তারা এটি বাস্তবায়নে শুধু কূটনীতিক বা রাজনীতিকদের ওপর নির্ভর করছে না। বরং সামরিক বাহিনীর জেনারেলদের ওপর আস্থা রাখছে বেশি।

২০০৬ সালের জুনে কনডোলিজা রাইস ও ইসরাইলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্ট ঘোষণা করেন, নতুন এই মধ্যপ্রাচ্য প্রকল্প লেবানন দখলের মধ্য দিয়ে শুরু হবে।

তাদের এ ঘোষণার এক মাস পরই দখলের লক্ষ্যে লেবাননে হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। দ্বিতীয়বারের মতো এ লেবানন আগ্রাসনে ইসরাইলকে সম্পূর্ণ মদদ ও সমর্থন দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।

শুধু শুধু মুখেই নয়, ‘নতুন মধ্যপ্রাচ্য’ ধারণাটি কাগজে-কলমে তথা মানচিত্র আকারেও প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে সর্বপ্রথম একটি মানচিত্র প্রকাশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল একাডেমির সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল র‌্যাল্ফ পিটার্স। ২০০৬ সালের জুন মাসেই মার্কিন সেনাবাহিনীর সাময়িকী আর্মড ফোর্সেস জার্নালে প্রকাশিত হয়। ওই মানচিত্রেই মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য-এশিয়া ও এশিয়ার দেশগুলো নিয়ে নতুন নকশা দেখানো হয়।

সৌদি আরব ও ইরাক খণ্ড খণ্ড করার পাশাপাশি সিরিয়া ও পাকিস্তানকেও ভেঙে নতুন নতুন দেশ দেখানো হয়েছে। ইসরাইলকে বড় করতে এবং আরও শক্তিশালী করতে ভেঙে চোট করে ফেলা হয়েছে পার্শ্ববর্তী লেবানন-সিরিয়াকে। লেবাননের পুরোটা ও সিরিয়ার অধিকাংশ অঞ্চল নিয়ে গ্রেটার ইসরাইল নামে নতুন রাষ্ট্র সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া মানচিত্রে এশিয়ার দেশ পাকিস্তানকে ভেঙে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

বর্তমান রাজধানী ইসলামাবাদ ও করাচি নিয়ে মূল পাকিস্তান ও গোয়াদর বন্দরবিশিষ্ট বেলুচিস্তান নিয়ে ‘ফ্রি বেলুচিস্তান’ দেশ দেখানো হয়েছে।

তবে মানচিত্রে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান, মিসর, সুদান ও ইথিওপিয়াকে অক্ষত রাখা হয়েছে। অবিকৃত রাখা হয়েছে মধ্যএশিয়ার তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান ও তাজিকিস্তানকে।

মুসলিম দেশগুলোর বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি করতে মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে ইসরাইল

রাহবার: ইহুদিবাদী ইসরাইল গুপ্তচরবৃত্তির জন্য মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে। দখলদার ইসরাইল সাফল্যের সঙ্গে উপগ্রহ উৎক্ষেপণের দাবি করে বলেছে, তাদের নতুন স্যাটেলাইট উন্নত মানের নজরদারি-সুবিধা দিতে সক্ষম।

ইসরাইলের নতুন স্যাটেলাইটের নাম ‘ওফেক ১৬’। এটি গতকাল (সোমবার) সকালে মধ্য ইসরাইলের একটি উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে সাভিট রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয়। এর আগেও এখান থেকে ওফেক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গানতজ বলেছেন, তারা সবদিক থেকে সবখানেই সক্ষমতা বাড়াবে। ওফেক-১৬ মূলত উচ্চ সক্ষমতার ইলেকট্রো-অপটিক্যাল রিকনাইসেন্স স্যাটেলাইট।

মুসলিম বিশ্বের প্রধান শত্রু দখলদার ইসরাইল ফিলিস্তিনসহ গোটা আরব বিশ্বের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি করে থাকে। এছাড়া ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানসহ অন্য মুসলিম দেশগুলোর ক্ষতি করার জন্যও সব সময় তৎপর থাকে ইহুদিবাদীরা।

ইসরাইল ঘোষণা করেছে, তারা এই স্যাটেলাইট দিয়ে ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোর ওপর নজরদারি করবে। ইরান শান্তিপূর্ণ কাজে পরমাণু তৎপরতা চালালেও দখলদার ইসরাইল এ পর্যন্ত সব আইন লঙ্ঘন করে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করেছে।

সূত্র, পার্সটুডে

বাংলাদেশিদের কাছে ইটের জবাবে পাথর খেয়ে পিছু হটেছে ভারতীয়রা!

রাহাবর: মহামারি করোনার অজুহাতে ভারত বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রায় ৩ মাসের অধিক সময় ধরে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য ভারতে ঢুকতে দিচ্ছিল না। তবে কিন্তু গত মাস হতে ভারত থেকে আমদানি করা পণ্য বাংলাদেশে ঢুকেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভারতে রপ্তানি করা বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ থেকে কোন পণ্য ভারতে ঢুকতে না দিলেও ভারত বাংলাদেশে রপ্তানি অব্যাহত রেখেছিল। এর প্রেক্ষিতে বেনাপোল বন্দর দিয়ে সব ধরনের আমদানি পণ্য খালাস বন্ধ করে ভারতের এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশের সিএন্ডএফ এজেন্টরা। সে সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিগত চার দিন সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল এই বন্দরের আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম।

ফলে বাংলাদেশ থেকে ভারতের ক্ষতির পরিমাণ প্রতিদিন বেড়েই চলছিল। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই এবার পিছু হটেছে ভারত। অবশেষে রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি পণ্যবাহী পাঁচটি ট্রাক ভারতে প্রবেশ করেছে। জানা গেছে সোমবার হতে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আবারো পুরোদমে আমদানি রপ্তানি পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হবে।

উল্লেখ্য করোনা পরিস্থিতির কারণে মার্চের ২২ তারিখ থেকে এই বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বন্ধ ছিল। জুন মাসের ৭ তারিখ হতে ভারত থেকে আমদানি পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করতে থাকলেও করোনার অজুহাতে ভারতে কোন রপ্তানি পণ্যবাহী ট্রাক ঢুকতে দেয়া হচ্ছিল না। এতে এদেশের রপ্তানিকারকরা ক্ষতির মুখে পড়েন।

কিন্তু শেষমেশ বাংলাদেশের সিএন্ডএফ এজেন্টদের কঠোর অবস্থানের কারণে ভারত তার অবস্থান থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছে। উল্লেখ্য বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের দ্বিতীয় বৃহৎ অংশীদার হল ভারত। দেশ দুটির বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় দশ বিলিয়ন ডলার যেখানে বাংলাদেশের বিপক্ষে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। তবে সম্প্রতি ভারতে ক্রমেই বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ভারতে এখন বাংলাদেশের রপ্তানি এক বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।

সূত্র: ডিফেন্স রিসার্চ ফোরাম

শীঘ্রই বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা পাবে শিক্ষার্থীরা !

রাহবার: করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ মহামারির কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় সকল ক্লাসেরই পরীক্ষার সময় উত্তীর্ণ হয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অনলাইনভিত্তিক ক্লাস-পরীক্ষাকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষার জন্য ইন্টারনেট বাধ্যতামূলক। এজন্য শিক্ষার্থীদের বাড়তি ব্যয় করতে হচ্ছে। আবার অনেকে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগও পাচ্ছে না। এজন্য শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দেয়ার জন্য আলোচনা করছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এ বিষয়ে তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে দীর্ঘদিন যাবত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রমকে চালিয়ে নিতে আমরা অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করছি। ইতোমধ্যে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেই ইন্টারনেটের ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্রদান অথবা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেয়া যায় কি না সে বিষয়ে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি সমূহের সাথে আলোচনা চলছে।

সোমবার (০৬ জুলাই) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপকমিটির আয়োজনে বর্তমান বৈশ্বিক সংকটকালে শিক্ষা বিষয়ে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিটি সংকটই আমাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দেয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হলে তথ্য ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাই আমাদের হয়তো কিছুদিনের মধ্যে ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রমে যেতে হতো। করোনা আমাদেরকে এক্ষেত্রে এগিয়ে দিয়েছে। আমরা এখন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমসহ অফিস-আদালতে বিভিন্ন মিটিং এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, সীমাবদ্ধ থাকবে। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠে নতুন এই বাস্তবতার সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠব। করোনা পরবর্তী সময়েও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে।

রাজধানীর যেসব এলাকায় আগামীকাল গ্যাস থাকবে না

রাহবার: আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কিছু এলাকায় গ্যাস থাকবে না। বনানী, মহাখালী ডিওএইচএস ও আশপাশের এলাকায় এ দিন দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

গ্যাস পাইপলাইন স্থানান্তর ও গ্রাহক সংযোগ প্রতিস্থাপনের কারণে আজ সোমবার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তাতে বলা হয়, ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অধীন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে রুট এলাইনমেন্টের মধ্যে বিদ্যমান ইউটিলিটি প্রতিস্থাপন-অপসারণ প্রকল্পের দ্বিতীয় ট্রাঞ্চের প্রথম পর্যায়ে বনানী রেল স্টেশন হতে মহাখাল বাস ট্রিমিনাল পর্যন্ত পাস পাইপ লাইন স্থানান্তর ও গ্রাহক সংযোগ প্রতিস্থাপন কাজের টাই-ইনের জন্য ৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২ টা হতে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত বেশ কিছু এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

শহীদ উদ্দিন অ্যাভিনিউয়ের উভয় পাশের এলাকা, মহাখালী ডিওএইচএস, পূর্ব-নাখালপাড়া, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট আবাসিক এলাকা, বনানী সমগ্র এলাকা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি ও আবাসিক শ্রেণির গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

সাময়িকভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাসের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

চীনে এবার প্লেগের প্রাদুর্ভাব: মহামারির শঙ্কা!

রাহবার: গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে করোনাভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। চীনে প্রথম দফার সংক্রমণ মোটামুটি নিয়ন্ত্রণের আসার পর ফের সংক্রমণ শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই দেশটিতে প্রাণঘাতী বিউবনিক প্লেগ ছড়াতে শুরু করেছে।

চীনের উত্তরাঞ্চলীয় একটি শহরে বিউবনিক প্লেগ ছড়িয়েছে। মহামারির আশঙ্কায় জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে সেখানে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পিপলস ডেইলির বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, স্বায়ত্তশাসিত ইনার মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের বায়ানুর শহরে প্লেগ প্রতিরোধে তৃতীয় মাত্রার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

শনিবার বায়ানুরের একটি হাসপাতালে প্রথম বিউবনিক প্লেগ রোগী শনাক্ত হয়। এর পরপরই সতর্কতা জারির সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির সরকার। তবে তিনি কিভাবে আক্রান্ত হয়েছেন তা এখনও জানা যায়নি।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ আছেন। তাকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

বায়ানুর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে এই শহরের মানুষের মধ্যে প্লেগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সবার আত্মসুরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে এবং সতর্ক হতে হবে। শরীরে যেকোনও ধরনের অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা গেলে তা সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

গত বছরের মে মাসে মঙ্গোলিয়া প্রদেশে বিউবোনিক প্লেগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান দুইজন। তখন জানানো হয়, আক্রান্ত দুইজন মারমোটের (ইঁদুরজাতীয় প্রাণী) মাংস খেয়েছিলেন। সেখান থেকেই এই রোগটি তাদের শরীরে ছড়ায়।

প্লেগ রোগের তিনটি ধরনের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বিউবনিক প্লেগ। ব্যাকটেরিয়াজনিত এই অসুখ ইঁদুরজাতীয় প্রাণীদের শরীরে থাকা পোকা বা আশপাশে বসবাসকারী মাছির মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, উপযুক্ত চিকিৎসা না পেলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অসুখটি প্রাপ্তবয়স্ক একজন রোগীকে মেরে ফেলতে পারে।

এ কারণে মানুষজনকে এ প্রাণী শিকার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ঈদুল আজহার পশুর হাঁট প্রসঙ্গে ইমাম ও আলেমদের সঙ্গে সরকারী কর্মকর্তাদের বৈঠক

রাহবার: আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে দুই তিন জনের অধিক মানুষ নিয়ে পশুরহাটে যাবেন না, বয়স্ক ও শিশুদের হাটে যাওয়া থেকে বিরত রাখুন। পশুরহাটে স্বাস্থ্য বিধি অুনসরন করুন। এমনি আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) মেয়র মো.ইকরামুল হক টিটু।

রবিবার (৫জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের শহীদ সাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে আসন্ন ঈদুল আযহা’র পশুর হাটে ও পশু কোরবানীতে স্বাস্থ্য বিধি রক্ষার্থে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন(মসিক)মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন,দুই তিন জনের অধিক মানুষ নিয়ে পশুরহাটে যাবেন না,বয়স্ক ও শিশুদের হাটে যাওয়া থেকে বিরত রাখুন।

যিনি কোরবানী পশু জবাই করবেন তিনি যেন প্রতিবার সাবান পানি দিয়ে হাত ধৌত করেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জবাই করার মাধ্যমে তিনিও সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করতে পারেন। মাংস প্রস্তত করার কাজে যারা জড়িত থাকেন তারা সুস্থ কিনা সে বিষয়ে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

মাংস প্রস্ততকারী কারো মাঝে জ্বর-কাশি বা করোনার কোন উপসর্গ থাকলে তাকে কোন বাসায় মাংস প্রস্তুতে না পাঠাতে কসাই সমিতির নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ করেন মেয়র টিটু।

পবিত্র ঈদ উল আজহায় স্বাস্থ্য বিধি মানার বিষয়ে সচেতন করতে ইমাম ও ওলামাদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে ইমাম-ওলামাদের উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকার প্রশংসা করেন মেয়র ইকরামুল হক টিটু।

অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, আসন্ন ঈদ উল আজহাকে সামনে রেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবিএম আব্দুল্লাহ উল্লিখিত বিভিন্ন নির্দেশনা তুলে ধরেন এবং পবিত্র ঈদ উল আজহার পশু হাটে এবং পশু কোরবানীতে স্বাস্থ্য বিধি মানার বিষয়ে সকলের সহায়তা কামনা করেন।

সভায়,মসিক মেয়র ইকরামুল হক টিটুর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন,সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন,ইত্তেফাকুল ওলামা বৃহত্তর ময়মনসিংহ এর নেতৃবৃন্দ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ময়মনসিংহ এর প্রতিনিধি, ইমাম সমিতি, ময়মনসিংহ এর নেতৃবৃন্দ এবং ময়মনসিংহ কসাই সমিতির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ।

আল্লামা বাবুনগরীর পক্ষে শীর্ষ ৬৬ উলামা মাশায়েখের বিবৃতি

রাহবার: হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর নামে জামায়াত সংশ্লিষ্টতার উক্তিকে জঘন্য অপবাদমূলক মিথ্যাচার উল্লেখ করে এর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন দেশের ৬৬ জন বিশিষ্ট আলেম।

রোববার (৫ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে এই নিন্দা জানান আলেমরা।

বিবৃতিতে আলেমরা বলেন, ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ই মে, ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য দ্বিতীয় কারবালার একটি নির্মম ও রক্তাক্ত ইতিহাস। শুকরিয়া মাহফিল নয়, এর চাইতে বড় কিছু করেও তা ভুলানো যাবে না। হাজার বছর অতিবাহিত হলেও শাপলা চত্বরের শহীদদের বুকের তাজা রক্ত কথা বলবে।

আলেমগণ আরো বলেন, ঈমান-আক্বিদার পতাকা সমুন্নত রাখা ও বাতিলের বিরুদ্ধে আপোষহীন সেই আল্লামা বাবুনগরীকে আজ ‘জামায়াতের সাথে মিলে শাপলা চত্বরে মার খাইয়েছে’ বলা জঘন্য মিথ্যাচার ছাড়া কিছু নয়। আমরা এমন মিথ্যাচারিতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরীর যুগ্মমহাসচিব মুফতি ফজলুল করীম কাসেমীর পাঠানো বিবৃতিতে শীর্ষ উলামা-মাশায়েখগণ বলেন, আমরা দেখে আসছি আল্লামা শাহ আহমদ শফী’র সকল কর্মসূচী বাস্তবায়নে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী অত্যন্ত আগ্রহ ও আন্তরিকভাবে সাহায্য ও আনুগত্যের পরিচয় দিয়েছেন এবং কোন কর্মসূচী বাস্তবায়নে আমীরে হেফাজতের সাথে তার এ যাবৎ কোনরূপ মত পার্থক্য হয়নি।

তারা বলেন, কিন্তু আজ কিছু সংখ্যক কুচক্রী মহল আমীরে হেফাজতের সাথে মহাসচিবের মতপার্থক্য ও দূরত্ব খুঁজে বেড়াচ্ছেন এবং সর্বস্তরের মানুষের নিকট গ্রহণযোগ্য শক্তিশালী ঈমানী সংগঠন হেফাজতকে দুর্বল করার ও ভাঙ্গার হীন চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছেন ।

উলামায়ে কেরাম বলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মজলুম জননেতা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে নিয়ে জনৈক ব্যক্তি ফোনালাপে যেই মিথ্যাচার করেছেন, তা অত্যন্ত জঘন্য ও নিন্দনীয়। আল্লামা বাবুনগরী হক্কানী উলামায়ে কেরামের আপোষহীন রাহবর। তাঁর সাথে মওদূদীবাদী জামায়াতের বিন্দুমাত্র কোন সম্পর্ক নেই। ফাঁস হয়ে পড়া ফোনালাপ পরিকল্পিত মিথ্যাচার এবং কোন অপশক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়নে উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপবাদ।

তারা বলেন, ইতিমধ্যে আমরা লক্ষ্য করেছি, সম্প্রতি আধিপত্যবাদি শক্তির দোসর হিসেবে চিহ্ণিত গুটি কয়েক অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়া নানা কল্পকাহিনী তৈরি করে মিথ্যা ও বানোয়াট কল্পকাহিনী সাজিয়ে দেশের শীর্ষ আলেম ও যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করার চক্রান্ত করে
যাচ্ছে । আমরা এসব অপপ্রচারেরও তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরীর যুগ্মমহাসচিব মুফতি ফজলুল করীম কাসেমীর পাঠানো বিবৃতিতে আলেমরা আরো বলেন, আল্লামা বাবুনগরী একমাত্র ব্যক্তি যিনি শাপলা চত্বরে ৫ই মে’র রাতে পিছপা হননি, বরং ৬ মে ভোরে চরম ঝুঁকির মধ্যেও তিনি আমীরের প্রতি আনুগত্যের পরাকাষ্ঠা প্রমাণ করে লালবাগে হেফাজত আমীরের
নির্দেশনার জন্য তাঁর কাছে উপস্থিত হন এবং সেখানে গ্রেফতার হন। রিমান্ডে অমানুষিক নির্যাতনে চিরতরে পঙ্গু হয়েছেন। তারপরও সকল প্রকার ভয় ভীতি ও অপশক্তির রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে প্রতিটা অন্যায় জুলুম নির্যাতন এবং সকল ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ করে আকাবিরে উলামায়ে দেওবন্দের ইতিহাসও ঐতিহ্য ও সম্মান উঁচু রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। অতএব, গুটিকয়েক চিহ্ণিত
ষড়যন্ত্রকারীর ষড়যন্ত্রে ও অপপ্রচারে আল্লামা বাবুনগরীর ক্লিন ইমেজ বিনষ্ট করতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ। তাই দেশ বিদেশের হেফাজত কর্মী সমর্থক ও শুভাকাঙ্খিদেরকে সকল মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ড ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয় ইসলাম টাইমসে পাঠানো হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরীর যুগ্মমহাসচিব মুফতি ফজলুল করীম কাসেমীর বিবৃতিতে।

যৌথ বিবৃতিদাতা বিবৃতিদাতা আলেমরা হলেন- আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, আল্লামা নূরুল ইসলাম আদীব (ফেনী), আল্লামা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর, আল্লামা হাফেজ আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, আল্লামা মুনিরুজ্জামান সিরাজী (বি. বাড়ীয়া), আল্লামা নূরুল ইসলাম জিহাদী, আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলীপুরী (হবিগঞ্জ), আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক, আল্লামা আরশাদ রহমানী, আল্লামা আব্দুর রহমান হাফেজ্জী (ময়মনসিংহ), অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী (পীর সাহেব কাপাসিয়া), মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ সাদী (ময়মনসিংহ), মাওলানা আব্দুল আউয়াল (নারায়ণগঞ্জ), মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীব, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী।

বিবৃতিদাতা আলেমদের মধ্যে আরো রয়েছেন, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা আব্দুল বাসেত খান, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবী, মাওলানা হাসান জামিল, মাওলানা মুজিবুর রহমান চাঁদপুরী, মাওলানা ফজলুল করিম কাসেমী, মাওলানা মাসউদুল করিম (গাজীপুর), মাওলানা আবুল কালাম, মাওলানা জামিল আহমদ আনসারী (মৌলভীবাজার), মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা আনওরুল করিম (যশোর), মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন (খুলনা), মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা লোকমান মাযহারী, মাওলানা হামেদ জহিরী।

এছাড়া যৌথ বিবৃতিদাতা আলেমদের মধ্যে আরো রয়েছেন মুফতী সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, মাওলানা ফজলুর রহমান (সাইনবোর্ড), মুফতী আজহারুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল মান্নান পাটোয়ারী (সাভার), মাওলানা আলী আকবর (সাভার), মুফতী কামরুজ্জামান (ফরিদপুর), মাওলানা সানাউল্লাহ মাহমুদী (বরিশাল), মাওলানা আবু তাহের কাসেমী (নেত্রকোনা), মাওলানা মাহফুজুর রহমান (নেত্রকোনা), মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ জামী (কিশোরগঞ্জ), মাওলানা আবুল কাশেম (জামালপুর), মুফতি শামসুদ্দিন (জামালপুর), মাওলানা ইউনুস (রংপুর), মাওলানা মতিউর রহমান (দিনাজপুর), মাওলানা আমিনুল হাসান সিদ্দিকী(কেরানীগঞ্জ), মাওলানা বশির আহমদ (মুন্সীগঞ্জ), মুফতী শরিফুল্লাহ, মাওলানা আব্দুল হামিদ (কুষ্টিয়া), মাওলানা আব্দুল লতিফ খান (কুষ্টিয়া), মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান (নারায়ণগঞ্জ) প্রমুখ।