Tag Archives: আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী

হেফাজতের নতুন কমিটি ঘোষণা সোমবার, থাকছেন যারা

রাহবার২৪.কম: বহুল আলোচিত কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা হচ্ছে। তবে ঘোষিত এ কমিটি হবে আংশিক। পরবর্তীতে এতে আরও সংযোজন হবে।

সোমবার সকাল ১১টায় খিলগাঁও মাখজানুল উলুম মাদ্রাসায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন এ কমিটি ঘোষণা করা হবে। এতে রাজনৈতিক পরিচয়ধারী নেতাদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে হেফাজতের এক কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, সরাসরি রাজনৈতিক দলের পদে আছেন এমন কাউকে খসড়া কমিটিতে রাখা হয়নি।

কমিটিতে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির এবং মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদীকে মহাসচিব হিসেবে রাখা হয়েছে। কমিটির বর্তমান পরিধি ৩৮ সদস্যবিশিষ্ট হতে পারে। যেখানে প্রয়াত আমীর শাহ আহমদ শফীর বড় ছেলে মো. ইউসুফকেও রাখা হচ্ছে।

কমিটিতে মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, মাওলানা মুহিব্বুল হক (সিলেট), মাওলানা উবায়দুর রহমান মাহবুব (বরিশাল) কয়েকজনকে নায়েবে আমির হিসেবে রাখা হয়েছে।

যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে রয়েছেন- মাওলানা সাজিদুর রহমান (বি-বাড়িয়া), মাওলানা আবদুল আউয়াল (নারায়নগঞ্জ) ও মাওলানা আরশাদ রহমানী (বসুন্ধরা)।

কমিটি থেকে বাদ পড়তে যাচ্ছেন সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, নাছির উদ্দিন মুনির, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, কেন্দ্রীয় নেতা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, হাসান জামিল, মুফতি হারুন ইজহারসহ বেশ কয়েকজন আলোচিত নেতা।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট হেফাজতের কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেখানে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা আহমদ শফীর ছেলে আনাস মাদানীসহ তার অনুসারী কাউকে রাখা হয়নি।

প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ আগমনকে কেন্দ্র করে গত মার্চের ২৫, ২৬ ও ২৭ তারিখ দেশজুড়ে যে সহিংস ঘটনা ঘটেছে, অন্তত ১৭ জন মানুষের প্রাণহানি হয়। এসব নাশকতার পেছনে জড়িত থাকার মিথ্যা অভিযোগে অনেক হেফাজত নেতা গ্রেফতার রয়েছেন।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর

Tagged ,

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে আল্লামা বাবুনগরীর আহবান

রাহবার২৪.কম: রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের মাস রমজানুল মোবারকের পবিত্রতা রক্ষা করতে সর্বস্তরের মুসলমানদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর, হাটহাজারী মাদরাসার শায়খুল হাদীস ও শিক্ষা পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ।

১৪ এপ্রিল বুধবার গণমাধ্যমে আমীরে হেফাজতের খাদেম মুফতী জুনাইদ আহমদ কর্তৃক প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, মহান আল্লাহ এই মাসে পবিত্র ‘কোরআনুল কারিম’ অবতীর্ণ করার মাধ্যমে এ মাসকে মহিমান্বিত এবং বরকতময় করেছেন। রমজানুল মোবারক আল্লাহ তায়ালার নৈকট্যলাভের বিশেষ এক মাস। মুসলিম উম্মাহর কাছে এ মাসের গুরুত্ব অপরিসীম। যাবতীয় পাপ কাজ পরিত্যাগ করে রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষা করা আমাদের সবার জন্য অপরিহার্য। তাই প্রত্যেকেই নিজে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করার পাশাপাশি অন্যকেও এ ব্যাপারে সচেতন করে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি লাভের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হচ্ছে রমজানুল মোবারক। আত্মশুদ্ধির জন্য প্রথম করণীয় হলো যাবতীয় পাপ কাজ পরিত্যাগ করে মহান প্রভুর ইবাদতে মনোনিবেশ করা। তাহলেই কেবল এ মাসে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য অর্জন হবে।

রমজানে চিনি-ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের দাম না বাড়াতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, এ মাস একে অন্যের প্রতি সাহায্য-সহানুভূতির মাস। নিত্যপণ্যের দাম চড়া থাকলে সমাজের গরিব, মিসকিন, এতিম, অসহায় ও সাধারণ অনেক রোজাদার চাইলেও মনমতো ইফতার সাহরি করতে পারে না। তাই রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রেখে রোজাদারদের ইফতার সাহরিতে বিশেষ সহায়তা করুন।

সমাজের গরিব, মিসকিন, এতিম, অসহায় ও সাধারণ মুসলমানদের জন্য ইফতার সামগ্রী বিতরণসহ আনন্দচিত্তে তারাও যেন ইফতার সাহরি করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে সমাজের বিত্তবানদেন প্রতি আহ্বান জানান হেফাজত আমীর।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, হাদীস শরিফে রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে সে ব্যক্তির গুনাহ ক্ষমা করা হবে, জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয়া হবে এবং রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব তাকে দেয়া হবে। তাই সমাজের বিত্তবানদের উচিত এ মাসে গরিব-দুঃখীদের খোঁজখবর রাখা।

তিনি আরও বলেন,করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে পুরো দেশ লকডাউন। দোকানপাট, রাস্তাঘাট সব কিছুই আজ বন্ধ। নেই কাজের কোন উৎস। করোনা আতংকে কার্যতই মানুষ আজ গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে রুজি রোজগার করতে না পেরে খেটে খাওয়া দিনমজুররা খাদ্য সংকটে অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে।

তাই রহমতের মাস রমজানুল মোবারকে করোনায় সৃষ্ট উদ্ভুত পরিস্থিতিতে দূর্দশাগ্রস্থ পরিবারের পাশে খাদ্যদ্রব্য, নগদ অর্থ সহ জরুরী ত্রাণসামগ্রী নিয়ে সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসুন।

তিনি আরো বলেন,মহামারির এই নাজুক সময়ে গরিব-দুঃখী মুসলমানদের মাঝে সাধ্যানুযায়ী ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা আমাদের সবার অন্যতম দায়িত্ব। তারা আমাদের ভাই, সারাদিন রোজা রাখার পর তারাও যেন আনন্দচিত্তে ইফতার করতে পারে সে ব্যবস্থাটুকু করে দেয়া আমাদেরই দায়িত্ব ও কর্তব্য। তাই অসহায় দুঃস্থদের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আমি আহ্বান জানাচ্ছি ।

এছাড়া অধিনস্থ কর্মজীবীদের কর্ম হালকা করা, দিনের বেলায় হোটেল রেস্তোরা বন্ধ রাখা, টিভি সিনেমা বন্ধ রাখা, গীবত, পরনিন্দা, হিংসা-বিদ্বেষ, চোগলখুরি, অহঙ্কার ও কৃপণতার মতো গর্হিত কাজগুলো পরিত্যাগ করাসহ যাবতীয় গুনাহের কাজ থেকে বেঁচে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করে একাগ্রতার সহিত পুরো মাস ইবাদত করে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের আহ্বান জানান আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

বার্তাপ্রেরক
মুফতী জুনাইদ আহমদ
খাদেম, আমীরে হেফাজত
01762324968

Tagged ,

মোদি বিরোধী হাটহাজারী রণক্ষেত্র, মাদরাসা ছাত্রসহ পাঁচজন শহীদ

রাহবার নিউজ ডেস্ক: জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ওপর দফায় দফায় পুলিশ ও যুবলীগ-ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার প্রতিবাদে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিক্ষোভরত হাটহাজারী মাদরাসার ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন মাদরাসাছাত্র এবং বাকি দুইজনের পরিচেয় পাওয়া যায়নি। ৫ জনের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রয়েছে। নিহত তিন মাদরাসাছাত্র হলেন মেরাজুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলম।

জানা গেছে, শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদে মুসল্লি ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনার প্রতিবাদে চট্টগামে হাটহাজারীতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন হাটহাজারী মাদরাসার ছাত্ররা।

পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীরা হাটহাজারী থানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এদিকে ফাঁকা গুলি ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করা চেষ্টা চালায় পুলিশ।

এদিকে নিহত ও আহত মাদরাসার ছাত্রদের দেখতে চট্টগ্রাম মেডিকেলে গিয়েছেন হেফাজতের আমীর ও হাটহাজারী মাদরাসার শিক্ষা পরিচালক আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী। সাথে ছিলেন শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মুফতী হারুন ইজহার ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

Tagged , ,

দাঁড়ি থাকার কারণে চাকুরী না দেয়াটা মহানবী(সঃ) এর আদর্শের সাথে যুদ্ধ ঘোষণার শামিলঃ আল্লামা বাবুনগরী

রাহবার নিউজ ডেস্ক: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলা শাখার পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর আমীর শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেছেন দাঁড়ি থাকার কারণে চাকুরী না দেয়াটা মহানবী(সঃ) এর আদর্শের সাথে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল তিনি বলেন, দাঁড়ি থাকার কারণে চাকুরী না দিয়ে কার্যত মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাহকে হেয় করেছে এবং রাসুলের আদর্শের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে আড়ং কর্তৃপক্ষ। এটা কখনো বরদাশত করা যায় না। এরজন্য অবশ্যই তাদেরকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। ৯০% মুসলমানের দেশে দাড়ি থাকার কারণে ইন্টারভিউতে পাশ করা সত্বেও একজন মুসলমানকে চাকুরী দেবে না তা কখনো মেনে নেওয়া যায় না।

হাটহাজারী সিটি প্যালেস কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ভারতে কুরআনের আয়াত বাতিলের রিট প্রসঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে হেফাজত আমীর বলেন, মানব জাতির মুক্তির সনদ পবিত্র কুরআনের আয়াত বাতিলের রিট করার অপরাধে কুখ্যাত কাফের শিয়া ওয়াসিম রিজভীকে ফাঁসি দিতে হবে। এটা বিশ্বের পৌনে দুইশো কোটি মুসলমানের দাবী। এই কুলাঙ্গারকে ফাঁসি না দেওয়া পর্যন্ত মুসলিমবিশ্ব শান্ত হবে না। এর বিরুদ্ধে আমাদের শান্তিপূর্ণ জোরদার আন্দোলন চলবেই।

ভারতের আদালতে কোন ন্যায় বিচার নেই দাবী করে তিনি বলেন, ন্যায় বিচার থাকলে আদালত কখনো কুরআন বিরোধী ভিত্তিহিন রিট গ্রহণ করতো না। ওয়াসিম রিজভীর দায়ের করা রিট গ্রহণ করে ভারতের আদালত প্রকাশ্যে ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এই রিট খারিজের ব্যবস্থা না করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও ওয়াসিম রিজভীকে মৌন সমর্থন দিয়েছে। এর জন্য ভারতকে মুসলিম বিশ্বের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। কুখ্যাত ওয়াসিম রিজভী কুরআনে বর্ণিত জিহাদের আয়াত নিয়ে আপত্তি তুলেছে, আমাদের মনে রাখতে জি হা দ ইসলামের অন্যতম ফরজ বিধান। জি হা দ সন্ত্রাস নয়, সন্ত্রাস জি হা দ নয়। জি হা দ জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের লড়াই, জি হা দ হলো অন্যায় অবিচারের মোকাবেলায় ন্যায়ের লড়াই। জি হা দ শান্তি, জি হা দ মুক্তি। জি হা দ হলো জুলুম নির্যাতন আর সন্ত্রাস দমনের মাধ্যম। উপযুক্ত পরিবেশ হলে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করতে আমাদেরকে জি হা দ করতে হবে।

হাটহাজারী মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষা পরিচালক ও হেফাজতে ইসলাম হাটহাজারী উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা শোয়াইব জমিরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন, সি: যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা এমরান সিকদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা কামরুল ইসলাম এর যৌথ সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন হাটহাজারী মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদের সদস্য আল্লামা শেখ আহমদ, হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির, সহকারী মহাসচিব মাওলানা জাফর আহমদ, কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মীর ইদ্রিস, কেন্দ্রীয় সহ দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ওমর ফারুক ফরিদী, কেন্দ্রীয় সহ অর্থ সম্পাদক জনাব আহসান উল্লাহ, মাওলানা আবু আহমদ, মাওলানা নসীম, মুফতী শিহাব উদ্দিন, মাওলানা আশরাফ হোসাইন, মাওলানা হাফেজ ইসমাইল, মাওলানা হুসাইন ফয়জী, মাওলানা আব্দুল্লাহ, মাওলানা আবু তৈয়ব আব্দুল্লাহপুরী, মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম মেহেদী,  মাওলানা হাফেজ আলী আকবর, মাওলানা ইয়াছিন, মাওলানা হাফেজ মোস্তফা, মাওলানা তাজুল ইসলাম, মাওলানা আমিনুল হক, মাওলানা এমরান খন্দকিয়া, মাওলানা ইন’আমুল হাসান ফারুকী, মাওলানা ওমর ফারুক, হাফেজ আব্দুল মাবুদ, মাওলানা নিজাম সাইয়্যিদ, মাওলানা আসাদুল্লাহ আসাদ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

Tagged ,

আল্লামা বাবুনগরী’র নিকট মুসলমান হয়েছে এক হিন্দু পরিবার

রাহবার নিউজ ডেস্ক: আজ ১৬ ফেব্রুয়ারী ২১ ইং মঙ্গলবার বাদে আসর দারুল উলূম হাটহাজারীর সম্মানিত শিক্ষা পরিচালক, আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হাফিযাহুল্লাহ’র নিকট হিন্দু সম্প্রদায়ের উঁচুজাত তথা ব্রাহ্মন পরিবারের মা-বাবা, দুই ছেলে ও এক মেয়ে সহ পাঁচজন সদস্য পবিত্র কালিমা পাঠ করে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

এই নওমুসলিম পরিবারকে আজীবন ঈমানের উপর অটল থাকার জন্য মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে অশ্রুসিক্ত নয়নে দোয়া করেছেন দারুল উলূম হাটহাজারীর মজলিশে এদারীর প্রধান, মুফতীয়ে আজম বাংলাদেশ আল্লামা মুফতী আব্দুস সালাম চাটগামী হাফিযাহুল্লাহ। তিনি নওমুসলিমদেরকে নিজের সংকলিত “কুরআন-হাদীসে বর্ণিত দোয়া-দুরুদ” নামক কিতাবের কপি হাদিয়া দেন।

ইসলাম গ্রহণের পর আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হাফিযাহুল্লাহু নওমুসলিমদের নাম রাখেন- পিতা- মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, মাতা- সেলিমা ইসলাম, ১ম পুত্র- আব্দুর রহমান, ২য় পুত্র- ওয়াহিদুল ইসলাম, মেয়ে- আদিবা ইসলাম।

পিতা ওমান থেকে ভিডিও কলের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে এবং মাতা পর্দায় থেকে আমীরে হেফাজতের মুখে মুখে কালেমা পড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

তাদেরকে ইসলাম গ্রহণে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলার সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং হেফাজত হাটহাজারী পৌরসভার সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মাদ আসাদ উল্লাহ।

নওমুসলিম পরিবারকে ফরযে আইন শিক্ষার জন্য সার্বিক ব্যবস্থা করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি, জামিয়াতুল ঈমান হাটহাজারীর প্রতিষ্ঠাতা , মাওলানা মীর ইদ্রীস নদভী হাফিযাহুল্লাহ।

তথ্যসূত্র:
এইচ এম জুনায়েদ
খাদেম, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী

Tagged , ,

হেফাজত সবসময় দেশ-জাতির পক্ষে ও বাতিলের বিরুদ্ধে অতন্দ্র প্রহরী: আল্লামা বাবুনগরী

রাহবার ডেস্কঃ হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ-এর আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেছেন, হেফাজত সবসময় দেশ-জাতির পক্ষে ও বাতিলের বিরুদ্ধে অতন্দ্র প্রহরী। তিনি বলেন, বাতিলের মূলোৎপাটন করতে হেফাজত ইসলামের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর খিলগাঁও মাখজানুল উলুম মাদরাসা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচিতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আল্লামা বাবুনগরী।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, হেফাজতে ইসলামের দায়িত্ব পাওয়া বড় কথা নয়। দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করাটাই বড় কথা। আমাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে আদায় করতে হবে।

আল্লামা বাবুনগরী আরও বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যু নিয়ে মামলাসহ সকল ওলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য কাজ করতে হবে। পদ-পদবী আমাদের উদ্দেশ্য নয়, আমাদের কাজ আল্লাহ তাআ’লার সন্তুষ্টির জন্য।

উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন, হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ-এর প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী, কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী ও কেন্দ্রীয় মহাসচিব আল্লামা নূরুল ইসলাম জিহাদী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা মুহিবুল হক গাছবাড়ী, মাওলানা হাফেজ তাজুল ইসলাম, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, ড. আহমদ আবদুল কাদের, মাওলানা সরোয়ার কামাল আজিজী, মাওলানা আবদুল আউয়াল, মুফতী হাবিবুর রহমান কাসেমী, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ সাদী, মাওলানা ফুরকানুল্লাহ খলীল, মাওলানা জাফরুল্লাহ খান, মাওলানা নেজাম উদ্দীন, মাওলানা আফজাল হোসাইন, মাওলানা আবদুল্লাহ মুহাম্মদ হাসান, মাওলানা আবদুর হালীম, মাওলানা আবদুল বাসেত আজাদ, মাওলানা আবদুল বসির, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির, মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজি, মাওলানা শফিক উদ্দীন, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, সাগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, মাওলানা হাবিবুল্লাহ আজাদী, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন প্রমুখ।

Tagged ,

নোয়াখালী’তে ধর্ষণের ঘটনায় দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চান আল্লামা বাবুনগরী

নোয়াখালীর ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে গোটা দেশ উত্তাল হয়ে উঠতে পারে : আল্লামা বাবুনগরী

রাহবার ডেস্কঃ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে একজন নারীকে বিবস্ত্র করে বর্বরোচিত নির্যাতন চালানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবী জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব,হাটহাজারী মাদরাসার শায়খুল হাদীস ও শিক্ষাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

আজ ৫ অক্টোবর সোমবার রাজধানীর বারডেম জেনারেল হসপিটাল থেকে সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে হেফাজত মহাসচিব বলেন, সম্প্রতি সময়ে দেশে ধর্ষণের ঘটনা উদ্বেগজনক মাত্রায় বেড়েছে। সংবাদপত্রের ভাষ্য অনুযায়ী নোয়াখালির এ ঘটনা আইয়্যামে জাহিলিয়াতকেও হার মানিয়েছে। এ ঘটনার বিবরণ শুনে আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। মানুষ কিভাবে এতটা হিংস্র হতে পারে! বর্বরোচিত কায়দায় এভাবে কোন মা-বোন নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর চুপ করে ঘরে বসে থাকা যায় না।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন,এ ঘটনায় এক মাস পার হয়ে গেলেও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লম্পটদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি তা বড়ই দুঃখজনক। অবহেলার এ দায় স্থানীয় প্রশাসন কভু এড়াতে পারেনা।

তিনি বলেন- দেশে একের পর ধর্ষণের ঘটনার পরও অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হচ্ছেনা। যার দরূন ধর্ষণ আজ মহামারীর আকার ধারণ করেছে।

তিনি আরো বলেন,পর্দা নারীর মৌলিক অধিকার। পর্দাতেই নারী সর্বাধিক নিরাপদ। নারীকে নিরাপদে রাখতে পারলে তখন ব্যক্তি,দেশ, জাতি ও সমাজ, সংসার সবকিছুই নিরাপদ। ধর্ষণ,নারী নির্যাতন এসব রোধে শরঈ পর্দা বাধ্যতামূলক করার বিকল্প নেই।

হুশিয়ারী উচ্চারণ করে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন,অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে নোয়াখালীর বর্বোরোচিত এ ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না করলে এর প্রতিবাদে গোটা দেশ উত্তাল হয়ে উঠতে পারে।

Tagged , ,

আল্লামা শফী রহ. এর জন্য স্বর্ণের তসবীহ, রুপার লাঠি বানিয়েছিলেন যিনি

আল্লামা আহমদ শফী রহ. এর জন্য স্বর্ণের তসবীহ,রূপার লাঠি বানিয়েছিলেন নেত্রকোনার ফারুক ঢালী সাহেব

রাহবার২৪.কমঃ সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর মুহাব্বত ও সম্মানে স্বর্ণের তাসবীহ ও রূপা খচিত লাঠি বানিয়েছিলেন নেত্রকোনা সদরে অবস্থিত ঢালী গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকারী জনাব ফারুক ঢালী।

জনাব ঢালী সাহেব একজন ধর্মপ্রাণ, আলেমদোস্ত ও দানবীর মানুষ। ওলামায়ে কেরামের সাথে সাক্ষাৎ হলে নেত্রকোণার ঐতিহ্যবাহী বালিশ মিষ্টি, তার নিজস্ব গার্মেন্টসের কাপড় ইত্যাদি হাদিয়া দেন তিনি। মসজিদ-মাদরাসায় নিয়মিত দান সাদকা করেন। তিনি হাটহাজারী মাদরাসার উল্লেখযোগ্য একজন দাতা সদস্য।

শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর খুব বেশি ভক্ত তিনি। যখন থেকে আল্লামা আহমদ শফী রহ. এর সাথে পরিচয় ও সাক্ষাৎ হয়েছে তখন থেকেই হযরতের জন্য পাগলপারা তিনি। এতটাই মুহাব্বত শ্রদ্ধা করতেন যে,কখনো হুজুরের নাম ধরে ডাকতেন না।
হুজুরকে “নয়নমণি ” বলে ডাকতেন। হাটহাজারী থেকে কেহ গেলেই জিজ্ঞাসা করতেন- আমার নয়নমণি কেমন আছেন ইত্যাদি।

সময়ে সুযোগে নেত্রকোনা থেকে হুজুরের জন্য হাদিয়াও পাঠাতেন। মাসকয়েক আগে হাটহাজারী মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক,নেত্রকোনার গর্ব,আমার পরম শ্রদ্ধাভাজন উস্তাদ আল্লামা মুফতী আব্দুল হামীদ সাহেব দা.বা. এর সাথে গিয়েছিলাম ঢালী গার্মেন্টসে। এটা ছিলো জনাব ঢালী সাহেবের সাথে আমার দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। অল্প সময়ে বেশ মেহমানদারি ও আপ্যায়ন করেছেন আমাদেরকে।

মুফতী আব্দুল হামীদ সাহেব হুজুরের কাছে তাঁর নয়নমণি আল্লামা আহমদ শফী রহ. সম্পর্কে হাল পুরসি করলেন। জানালেন আহমদ শফী সাহেব হুজুরকে তিনি কতটা ভালোবাসেন। আলোচনার এক পর্যায়ে বললেন,আমি আমার নয়নমণি আল্লামা শাহ আহমদ শফী হুজুরের জন্য স্বর্ণের তাসবীহ বানিয়ে দিয়েছি৷ এবং হুজুরের ব্যবহারের জন্য রূপা খচিত একটি লাঠি বানিয়েছি। এরপর আমাদেরকে সেই লাঠিটি দেখালেন। নীচের ছবিতে মুফতী আব্দুল হামীদ সাহেব, ঢালী সাহেব এবং রূপা খচিত সেই লাঠিটির ছবি দেখা যাচ্ছে।

সেদিন তিনি বলেছিলেন,ক’দিন পর আমি নয়নমণিকে দেখতে হাটহাজারী যাবো।তখন এই রূপা খচিত লাঠিটা হুজুরের জন্য হাদিয়া নিয়ে যাবো। স্বর্ণের তাসবীহ হাদিয়া দিয়েছি, আমার মনে বড় আশা নয়নমণিকে রূপার এ লাঠিটাও হাদিয়া দেবো।

আহ…জনাব ঢালী সাহেবের সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলনা। রূপা খচিত সেই লাঠি তাঁর নয়নমণির সাক্ষাতে যাওয়ার আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ…।

আজ ফোনে কথা বলেছিলাম জনাব ঢালী সাহেবের সাথে ,বর্তমানে শারীরিকভাবে অনেকটা অসুস্থ তিনি। হাঁটাচলা করতে পারেন না। আহমদ শফী রহ.সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা মাত্রই কেঁদে কেঁদে আমাকে বললেন,হুজুর আমার মনে বড় কষ্ট, আমার নয়মণিকে শেষবারের মতো এক নজর দেখতে পারলাম না। জিজ্ঞাসা করলাম,আপনার নয়নমণিকে রূপার সেই লাঠিটা কি দিতে পেরেছিলেন? এটা শুনার সাথে সাথে কান্নায় ভেঙে পড়লেন।বললেন,খুব যত্ম করে রেখেছি সেই লাঠিটা।কিন্তু নয়মণিকে দিতে পারিনি। আমার নয়নমণি তো চলে গেলেন আমাকে রেখে….। এই বলে কান্না……।

হাটহাজারী মাদরাসার সিনিয়র উস্তাদ ও ইফতা বিভাগের সাবেক নেগরান,বৃহত্তর ময়মনসিংহে হাটহাজারী মাদরাসার মুহাসসিল,আমার
উস্তাদে মুহতারাম মুফতী আবু সাঈদ মাদার্শাহী দা.বা. এর সাথে এ বিষয়ে কথা বলে জেনেছি,জনাব ঢালী সাহেব ওলামায়ে কেরামকে খুব বেশি মুহাব্বত করেন। শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ, এবং শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হাফিজাহুল্লাহুকে তিনি সবচে বেশি মুহাব্বত করেন। মুফতী আবু সাঈদ সাহেব হুজুরের মাধ্যমেই সেই তাসবীহ পাঠিয়েছিলেন। হুজুর জানালেন,তাসবীহটি পুরোপুরি স্বর্ণের ছিলনা তবে তাসবিহে স্বর্ণ মিশ্রন ছিলো। এবং তিনি রূপার পাত লাগিয়ে একটি লাঠি বানিয়েছেন বলে আমাকে জানিয়েছেন তবে সেটা আমি এখনো দেখিনি।

স্বর্ণ মিশ্রনের তাসবীহ আর রূপার পাত দিয়ে লাঠি বানিয়ে হাদিয়া প্রদান করা, এটা অবশ্যই একজন আলেমদের প্রতি তাঁর সম্মানের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ। একজন সাধারণ মানুষের অন্তরে একজন আলেমের প্রতি কতটা মুহাব্বত আর ভক্তি-শ্রদ্ধা থাকলে এমন স্মরণীয় কাজ করতে পারেন তা সহজেই অনুমেয়।

খবর নিয়ে যতটুকু জেনেছি,স্বর্ণের মিশ্রণ থাকায় হযরত নিজ ভক্তের দেওয়া সেই তাসবিহটা ব্যবহার না করে স্মৃতি হিসেবেই রেখেছেন।

এ কাজের মাধ্যমে একজন আলেমের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন নেত্রকোনার গর্ব জনাব ফারু ঢালী সাহেব। তাঁর এ কাজ স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আল্লাহ তায়া’লা জনাব ফারুক ঢালী সাহেবের সকল দ্বীনি খিদমত ও ওলামায়ে কেরামের প্রতি তার এ সম্মানকে কবুল করুন,তাঁকে সুস্থতার সহিত দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন এবং আল্লামা আহমদ শফী রহ.কে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন,আমিন।

স্মৃতিচারণে –
এইচ.এম. জুনাইদ
নেত্রকোনা, বাংলাদেশ।
ফাযেলে দারুল উলুম হাটহাজারী।
সাবেক খাদেম, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী

Tagged ,