Category Archives: শিক্ষা

মহানবী (স.) কে কটূক্তি করায় যবিপ্রবি শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) কে নিয়ে কটূক্তি, কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর মন্তব্য করায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মিঠুন মণ্ডলের ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার ছাত্রত্ব কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে কটূক্তির ঘটনায় মিঠুন মণ্ডলকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করেছে সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশ। তিনি সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নারিকেলি গ্রামের যুগল মণ্ডলের ছেলে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশিদ জানান, মিঠুন মণ্ডল তার ফেসবুক পেজে মহানবী (স.) কে নিয়ে কটূক্তি করে স্ট্যাটাস দেন বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এজন্য সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে যবিপ্রবির উপাচার্যের কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটি, শিক্ষক সমিতি ও কর্মকর্তা সমিতির জরুরি সভায় তার ছাত্রত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।

সভায় মিঠুন মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের এবং এ বিষয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এছাড়া ঘটনায় চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক হলেন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ড. মো. মেহেদী হাসান। কমিটির সদস্যরা হলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. সুমন চন্দ্র মোহন্ত, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আমজাদ হোসেন, ড. ইঞ্জিনিয়ার এবং সদস্য সচিব কর্মকর্তা সমিতির সহ-সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম। কমিটিকে আগামী সাত কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির ডিন ড. এ এস এম মুজাহিদুল হক, অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল আমিন, ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ড. সুমন চন্দ্র মোহন্ত, ড. নাসিম রেজা, ড. মো. মেহেদী হাসান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আমজাদ হোসেন, ড. ইঞ্জিনিয়ার রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারি প্রমুখ।

এদিকে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগে গতকাল রাত সাড়ে তিনটার দিকে মিঠুন মণ্ডলকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

এইচএসসি পরীক্ষা কবে, সিদ্ধান্ত জানা যাবে বুধবার

কবে এই পরীক্ষা হতে পারে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আজ মঙ্গলবার বলেন, ‘আপনাদের (সাংবাদিক) সময় জানিয়ে দেব। যখন সময় জানানো হবে তখন বিস্তারিত জানানো হবে। আজ জানাতে পারব না। হয়তো কাল আপনাদের সঙ্গে কথা বলব।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আগামী মাসে এই পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না তা নিয়েই মূলত আলোচনা চলছে। তবে কোনো দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। অবশ্য এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, অন্তত চার সপ্তাহ সময় দিয়ে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, তাঁরা পরীক্ষা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছেন। ১৫ দিন সময় পেলেই তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

তবে এই করোনার মধ্যেই পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে। ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের এক পরীক্ষার্থী ফোনে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা চান করোনার এই সময়ে পরীক্ষা না হোক। এ বিষয়ে তাঁরা সরকারের কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছেন।

এইচএসসি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল এপ্রিলের শুরুতে। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে করোনার কারণে এ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এ পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ১৩ লাখের বেশি।

পরীক্ষা হলে সেটি কীভাবে হবে তা নিয়েও নানা আলোচনা আছে। এ বিষয়ে গত ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, দ্রুত সময়ে ন্যূনতম বিষয় ও ন্যূনতম নম্বরের ভিত্তিতে পরীক্ষা নেওয়াসহ অনেকগুলো বিকল্প প্রস্তাব ঠিক করা হয়েছে।

তথ্যসুত্রঃ প্রথম আলো

Tagged , , ,

এখলাসের সাথে দ্বীনি খেদমত করুন: ফারেগিন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আল্লামা বাবুনগরী

ফয়জুল্লাহ আল হাবীব: গতকাল শেষ হয়েছে কওমী মাদরাসার সর্বোচ্চ শিক্ষাসংস্থা আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধিনে দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষা। এ বছর দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ২২৩৪২ জন শিক্ষার্থী।

সদ্য ফারেগ হওয়া এ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নসিহতমূলক বক্তব্য রেখেছেন বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও বৃহৎ ইসলামী বিদ্যাপীঠ আল জামেয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার প্রধান শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পরিক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দ্বীনি খেদমত যতই ছোট হোক তাকে কখনো ছোট মনে না করে এখলাসের সাথে তা আঞ্জাম দিবে। এখলাসের সাথে মক্তবে পড়ানো বোখারী শরীফ পড়ানোর সমান সওয়াব। সাথে সাথে দাওয়াতে তাবলিগের কাজে বিশেষ মেহনত করবে।

জামিয়ার শান্ত পরিবেশ এবং নিয়মতান্ত্রিক কার্যক্রম সম্পর্কে সঠিক তথ্য মানুষের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের প্রাণপ্রিয় শায়খ আল্লামা শাহ আহমাদ রহঃ এর মৃত্যু নিয়ে একটি মহল গুজব ছড়াচ্ছে। চলমান পরিস্থিতি নিয়ে যেন কোনরকম গুজব ছড়ানো না হয়। তোমরা সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখবে।

তিনি বলেন, আমাদের শায়খ অসুস্থ হয়ে পড়ায় সাথে সাথে চট্টগ্রাম হসপিটালে ভর্তি করা হয়। অতপর সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকার আজগর আলি হসপিটালে স্থানান্তর করা হয় এবং সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তিকাল করেন।

তিনি আরো বলেন, হযরতের ইন্তিকালের পর মজলিসে শুরা কর্তৃক নির্ধারিত দুটি কমিটি মাজলিশে ইদারা ও মজলিশে ইলমীর সিদ্ধান্তে মাদ্রাসা পরিচালিত হচ্ছে। এমনকি শিক্ষক যোগ-বিয়োগসহ যাবতীয় কাজ মাজলিসে ইদারা ও মাজলিসে ইলমী’র পরামর্শ অনুযায়ী আঞ্জাম দেওয়া হচ্ছে।

আবারো বাড়ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি

রাহবার ডেস্ক: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি তো বাড়াতে হবে, তারিখটা আপনাদের জানিয়ে দেব।’

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেছেন, ছুটি কতদিন বাড়বে, সে সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবারের মধ্যে সংবাদমাধ্যমকে জানাবেন তারা।

আগামী সপ্তাহে উচ্চ মাধ্যমিক তথা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে শিক্ষার্থীদের চার সপ্তাহ সময় দেয়া হবে। তবে কোনো শিক্ষার্থী বিশেষ কারণে পরীক্ষা দিতে না পারলে তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পরীক্ষা না নিয়ে আগের পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন করে সার্টিফিকেট প্রদান করার প্রস্তাব করছেন অনেকে। এটিকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি, এটি একটি প্রস্তাব হতে পারে। তবে পরীক্ষা ছাড়া সার্টিফিকেট দিলে তারা যখন চাকরি নিতে যাবে তখন তাদের বলা হবে, ‘ও তোমরা ২০২০ সালের পরীক্ষা ছাড়া পাস করা ব্যাচ।’ এমন পরিস্থিতি তৈরি না করতে আমরা পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘কবে থেকে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা শুরু হবে তা আগামী সপ্তাহের সোম অথবা মঙ্গলবার সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরা হবে। পরীক্ষা আয়োজনে প্রশ্ন, উত্তরপত্র তৈরিসহ সব প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। এখন শুধু পরীক্ষা শেষ করা বাকি রয়েছে। পরীক্ষা দিতে গিয়ে যাতে কারও ক্ষতি না হয় সে বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দেব। বিশেষ কারণে কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে না পারলে আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে তার পরীক্ষা নেব।’

তবে এবার সব বিষয়ের পরীক্ষা না নিয়ে মৌলিক বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে। কোন কোন বিষয়ের পরীক্ষা নেয়া হবে সেটি আগামী সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে। এ ক্ষেত্রে কেউ যদি বিশেষ কারণে পরীক্ষা দিতে না পারে তবে তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হবে। সব কিছু আগামী সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা আছে।

এইচএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার সর্বশেষ আপডেট

এইএচসি ও জেএসসি পরীক্ষা বিষয়ে স্বীদ্ধান্ত নিতে ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ বৃহস্পতিবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের সমন্বয়ে গঠিত আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বৈঠকে জানানো হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ১৫ দিন পর নেয়া হবে এইচএসসি পরীক্ষা।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা হয়নি। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ১৫ দিন পর পরীক্ষা নিতে আমরা প্রস্তুত আছি। পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তিনি আরো বলেন, এ বছরের জেএসসি পরীক্ষার্থীদের নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে যে, স্কুলগুলো নিজস্ব প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করতে পারবে। যেহেতু পরীক্ষা আমরা নিতে পারব কিনা- এখনও জানি না, তাই এই সিদ্ধান্ত। তবে নভেম্বরের দিকে স্কুলগুলো খুলে দিতে পারলে ডিসেম্বরে এই পরীক্ষা নেয়া হবে।

সূত্র জানায়, জেএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হলে নিজস্ব পদ্ধতিতে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বছরের প্রথম আড়াই মাসের ক্লাস কার্যক্রম, সংসদ টেলিভিশন ও অনলাইনে ক্লাস কার্যক্রমের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। যে প্রতিষ্ঠান যতটুকু পড়াতে পেরেছে, ততটুকুর ভিত্তিতে মূল্যায়ন হবে। এ ব্যাপারে শিক্ষা বোর্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে গাইডলাইন দেবে। সিলেবাসের কতটুকু বা কোন অংশ পড়ানো হবে সেটি নির্ধারণে বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিটকে (বেডু) দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। গাইডলাইন তৈরির ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণিতে সিলেবাসের যে অংশটুকু পড়ানো সম্ভব হবে না তার প্রয়োজনীয় অংশটুকু নবম শ্রেণিতে পড়ানোর নির্দেশনা থাকবে। এ নির্দেশনা পাঠানো হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে।

 

Tagged , , , , ,

সহসাই খুলছে না মাদরাসা

রাহবার: করোনাকালীন এই সঙ্কটের ভেতরই শুরু হয়েছে কওমি মাদরাসায় ভর্তি কার্যক্রম। সরকারের সঙ্গে কয়েক দফা আলাপ-আলোচনার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভর্তি কার্যক্রম চালাতে বাঁধা নেই বলে জানিয়েছে সম্মিলিত কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড ‘আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’।

এদিকে ভর্তি কার্যক্রম চালাতে মাদরাসার অফিস খোলার অনুমোদন দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অতিরিক্ত সচিব আনিস মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ কথা জানানো হয়। পরিপত্রে বলা হয়, দেশের কওমি মাদরাসাগুলোতে প্রতিবছর রমজান মাসের পরপর নতুন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়ে থাকে। এ বছর ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির কার্যক্রম অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে অফিস খোলার অনুমতি প্রদানের জন্য কওমি মাদরাসাসমূহের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করা হয়। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদরাসাসমূহে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির বিষয়টি আন্তরিকতার সাথে অনুধাবন করে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অফিস খোলা রাখার সানুগ্রহ অনুমতি প্রদান করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সানুগ্রহ অনুমতির পরিপ্রেক্ষিতে কওমি মাদরাসাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মাদরাসাসমূহে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে অফিস খোলা রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হলো।’

ভর্তি কার্যক্রম এবং অফিস খোলার অনুমতি থাকলেও ভর্তির পর মাদরাসার ছাত্রাবাসে কেউ অবস্থান করতে পারবে না। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে ভর্তি সম্পন্ন করার পর যার যার বাড়িতে ফিরে যেতে হবে ছাত্রদের। কওমি মাদরাসার শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাপরিচালক মাওলানা যুবায়ের আহমদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্দেশনায় বলা হয়, ‘কওমি মাদরাসাসমূহে ভর্তির বিষয়ে সরকারের সাথে আলােচনার পর এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কওমি মাদরাসায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করতে কোনাে বাধা নেই। তবে ভর্তির পর কোন ছাত্র/ছাত্রী কিছুতেই প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করতে পারবে না।’

অনেক আলাপ-আলোচনার পর ভর্তি কার্যক্রম শুরু হলেও কবে মাদরাসা খুলবে এবং কবে ক্লাস শুরু হবে—এই নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে এতটুকু বলা যায়, সহসাই খুলছে না কওমি মাদরাসা। করোনাক্রান্তের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে, রেকর্ড ভাঙছে। এই সময়ে, অন্তত জুনে, স্কুল-কলেজও খুলছে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। স্কুল-কলেজ না খুললে মাদরাসাও খোলা হবে না বলে জানিয়েছেন বেফাকের মহাপরিচালক মাওলানা যুবায়ের আহমদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘বিগত বছরের কেন্দ্রীয় পরীক্ষা গ্রহণ, মাদরাসায় ক্লাস পরিচালনা, হোস্টেলে ছাত্র-ছাত্রী অবস্থানের নির্দেশনা পরবর্তীতে জানানো হবে। দেশের এই পরিস্থিতিতে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেয়, আমরাও সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।’

একই কথা বলেছেন বেফাক ও হাইয়াতুল উলইয়ার সদস্য মাওলানা মাহফুজুল হক। কবে খুলছে কওমি মাদরাসা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কওমি মাদরাসাগুলো কবে থেকে পাঠদান শুরু হবে বা আবাসিক কার্যক্রম কবে থেকে চলবে তা পরে সিদ্ধান্ত হবে। আপাতত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। পর্যায়ক্রমে পরীক্ষাসহ সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারা দেশের কওমি মাদরাসায় ভর্তি শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

প্রায় সব মাদরাসা নতুন-পুরাতন সব ছাত্রদের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করলেও কয়েকটি মাদরাসা অবলম্বন করেছে ভিন্ন পন্থা। প্রাথমিক দুএকটি ক্লাস ছাড়া অন্য কোন ক্লাসে নতুন ছাত্র ভর্তি নেয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে তারা। সুষ্ঠুভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতেই সতর্কতামূলক এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

-ফাতেহ২৪

১২০ দিনে হাফেজ হলো ৯ বছরের শিশু

মাত্র ১২০ দিনে ( ৪ মাস) পুরো কুরআন শরীফ মুখস্ত করলো আব্দুর রহীম। ৯ বছর বয়সের এই এতিম শিশুটি কক্সবাজার হামেদিয়া এতিমখানা ও হেফজখানার ছাত্র। টেকনাফের মধ্যম হ্নীলা গ্রামের মরহুম নুরুল আজিমের পুত্র সে। ২ ভাই ২ বোনের মধ্যে আব্দুর রহীম তৃতীয়।

শিশু হাফেজ আব্দুর রহিমের পিতা নুরুল আজিম চার বছর আগে সাগর পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় নৌকাডুবির ঘটনায় মারা যায়। মা ফাতেমা বেগমের বিয়ে হয় অন্যত্র। তাই এতিমখানায় মানুষ হচ্ছে শিশুটি।

বাবার মৃত্যু ও মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় অনেকটা কুলহীন হয়ে পড়ে আব্দুর রহীম। এরপর দাদা-দাদীর কাছে থাকতে শুরু করে সে। দাদা ইউছুফ ও দাদী সারা খাতুনের তত্ত্বাবধানে ভর্তি হয় কক্সবাজার হামেদিয়া এতিমখানা ও হেফজ খানায়।

প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক হাফেজ নাজমুল কামাল জানান, আব্দুর রহীম খুবই মেধাবী ও শান্ত ছেলে। এক বৈঠকেই পুরো তিরিশ পারা কুরআন শরীফ শুনিয়েছে সে। এতিমখানার পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব তাকে সহযোগিতা করা হয়।

তিনি বলেন, সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা, অভিভাবকত্ব না পেলে মেধাবী শিশুটির পড়ালেখা ও ভবিষ্যত জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।

এ প্রসঙ্গে এতিমখানার তত্ত্বাবধায়ক জানান, আব্দুর রহীমের পড়ালেখার বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আছে। তবে শিক্ষানুরাগী বিত্তবানরা তার পড়ালেখার সহযোগিতায় এগিয়ে এলে আমরা স্বাগত জানাব।

হাফেজ আব্দুর রহীম বড় হয়ে ইসলামের একজন দাঈ ও খ্যাতনামা আলেম হতে চায়। সে সকলের দোয়া চায়।

Tagged , ,

বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ ও বিখ্যাত লাইব্রেরি

এশিয়ার সবচেয়ে বৃহৎ ও বিখ্যাত লাইব্রেরি। লাইব্রেরিটি স্থাপিত হয় ১৯০৯ সালে চীনের বেইজিংয়ে। এর সংগ্রহে আছে ২ কোটি ৮৯ লাখ ৮০ হাজার ৭৭৭ বই। প্রায় ১২ লাখ সাময়িকী এর অন্তর্ভুক্ত। চীনা সাহিত্যের সবচেয়ে বড় সংগ্রহ আছে এতে। আছে চীনের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে সম্পর্কিত সব ধরনের বই।

Library of Congress হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় লাইব্রেরী। ২৪ শে এপ্রিল ১৮০০ সালে এটি আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসি-তে নির্মিত হয়। এই লাইব্রেরী নিজস্ব স্থান এবং বইয়ের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড়। এখানে তালিকাভুক্ত বই এবং ৪৭০ টি ভাষায় মুদ্রিত অন্যান্য  উপকরণের সংথ্যা ৩২ মিলিয়নেরও অধিক।

বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থাগার

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় লাইব্রেরী হলো সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগার বা কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগার। যা শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর এবং ঢাবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মাঝে অবস্থিত।

 

Tagged ,

প্রাথমিকে ১৩ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি : আবেদন পড়েছে ২৪ লাখ+!

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় অংশ নিতে ১৩ হাজার পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ২৪ লাখের বেশি। এই নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সারা দেশ থেকে ১৩ হাজার ১০০টি পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন চাওয়া হয়েছিল। এতে আবেদন জমা পড়েছে ২৪ লাখের বেশি। এতো বিপুল পরিমাণ আবেদন জমা পড়ার কারণে নিয়োগ পরীক্ষা নিতে আমাদের অনেক ভাবতে হচ্ছে।  পরীক্ষার আয়োজনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে। আমরা ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষা নিতে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেলে ফেব্র“য়ারিতে এই পরীক্ষা নেওয়া শুরু হবে। বিপুল পরিমাণে আবেদনকারীর পরীক্ষা এক দিনে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই ফেব্রুয়ারি মাসের প্রতি শুক্রবার এ পরীক্ষা নিতে মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে সংকেত পেলে পরীক্ষা শুরু করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার পর গত বছরের ১ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে ২৪ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন করা হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। এ পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।

৪২তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার তারিখ ও ফি ঘোষণা বেফাকের

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড)-এর ইলহাকভূক্ত মাদরাসাসমূহ (দরসিয়াত (পুরুষ ও মহিলা) , তাহফীযুল কুরআন, ও ’ইলমুত তাজবীদ ওয়াল ক্বিরাআত)-এর পরিচালকবৃন্দকে অবগত করা যাচ্ছে যে, বিগত ২৪/১১/৩৯হি: মোতাবেক ৭/ ৮/১৮ ঈ: তারিখে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কমিটির সভার সুফারিশে এবং ২৯/১০/২০১৮ঈ: তারিখের মজলিশে আমেলার মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৪২ তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার তারিখ ও ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ।

পরীক্ষার তারিখ

দরসিয়াত -এর পরীক্ষা : ২ শা’বান ১৪৪০ হিজরী, মোতাবেক ৮ এপ্রিল ২০১৯ ঈসাব্দ, ২৫ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ রোজ সোমবার হতে শুরু হবে।

তাহফীযুল কুরআন ও ’ইলমুত তাজবীদ ওয়াল ক্বিরাআত -এর পরীক্ষা : ৪ শা’বান ১৪৪০ হিজরী, মোতাবেক ১০ এপ্রিল ২০১৯ ঈসাব্দ, ২৭ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ রোজ বুধবার হতে পর্যায়ক্রমে।

নাযিরা (ইবতিদাইয়্যাহ) এর পরীক্ষা : দরসিয়াত পরীক্ষা চলাকালে ৮ শা’বান ১৪৪০ হি: মোতাবেক ১৪ এপ্রিল পরীক্ষার্থীর নিজ মারকাযে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক  ৪১ তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা হতে নাযিরা পরীক্ষা নেগরানে আ’লা ও সহকারী নেগরাণের দায়িত্বে থাকবে। নেগরাণগন নিজেরাই এ পরীক্ষা গ্রহণ করবেন।

(বিঃ দ্রঃ- চাঁদের তারিখে অমিল হলে পরীক্ষা শুরুর তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৯ ঈসাঈ চূড়ান্ত বিবেচিত হবে।)

 ফি-এর বিবরণ

ফি জমা দেয়ার শেষ তারিখ : ৩০ জুমাদাল উলা এবং বিলম্বের ক্ষেত্রে শতকরা ১০% হারে বর্ধিত ফিসহ ১৫ জুমাদাল উখরা ১৪৪০ হিজরী পর্যন্ত।

        ছাত্র                                ছাত্রী
       নিয়মিত      অনিয়মিত         নিয়মিত      অনিয়মিত
৩০ জুমাদাল উলা পর্যন্ত ১৫
জুমাদাল উখরা পর্যন্ত
৩০ জুমাদাল উলা পর্যন্ত ১৫ জুমাদাল উখরা পর্যন্ত ৩০ জুমাদাল উলা পর্যন্ত ১৫
জুমাদাল উখরা পর্যন্ত
৩০ জুমাদাল উলা পর্যন্ত ১৫
জুমাদাল উখরা পর্যন্ত
ফযীলত ৬০০ ৬৬০ ৭৫০ ৮২৫ ৭৫০ ৮২৫ ৯৪০ ১০৩০
সানাবিয়্যাহ ’উলইয়া ৫০০ ৫৫০ ৬২৫ ৬৯০ ৬২৫ ৬৯০ ৭৮০ ৮৬০
মুতাওয়াসসিতাহ ৩৬০ ৪০০ ৪৫০ ৫০০ ৪৫০ ৫০০ ৫৬০ ৬২০
ইবতিদাইয়্যাহ ৩৩০ ৩৬০     ৪১০ ৪৫০ ৪১০ ×৪৫০ ৫১০ ৫৬০
তাহ্ফীযুল কুরআন ৪১০ ৪৫০ ৫১০ ৫৬০     ×     ×    ×    ×
ইলমুত তাজবীদ ওয়াল ক্বিরাআত ৪২৫ ৪৭০ ৫৩০ ৫৮০
মানোন্নয়ন         প্রতি মারহালার অনিয়মিত ফি এর সমপরিমাণ।

 

                                                       বিশেষ জ্ঞাতব্য-

১.    পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে সর্বশেষ ১৫ জুমাদাল উখরা ১৪৪০ হিজরীর মধ্যেই পরীক্ষার্থী অন্তর্ভূক্তি ফরম ও ফি বেফাকের দফতরে পৌঁছে যেতে হবে। উক্ত তারিখের পর ফি ও ফরম গ্রহণ করা হবে না এবং ডাক যোগাযোগের সমস্যা অথবা অন্য কোন সমস্যার কারণে বিলম্বের আপত্তিও গ্রহণযোগ্য হবে না ।

২.    বেফাকের সকল প্রকার পাওনা,চাঁদা ও কুপনের টাকা সত্বর পাঠিয়ে দিন। মারকাযওয়ালা মাদরাসাসমূহের নিকট প্রাপ্য বেফাকের সকল পাওনা ২০ শে জুমাদাল উলার পূর্বে পরিশোধ করতে হবে। প্রকাশ থাকে যে, মজলিসে শূরার সিদ্ধান্ত অনুসারে কোন প্রকার পাওনা বকেয়া থাকলে মারকায বহাল রাখা হবে না।

৩.    যারা একবার পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছেন তারা পাশের বিভাগ উন্নয়ণের জন্য পূনঃ পরীক্ষা দিতে চাইলে ‘মানোন্নয়ন’ নামে পরীক্ষা দিতে পারবে এবং স্বতন্ত্রভাবে ‘মানোন্নয়ন’ নামে ফরম পূরণ করতে হবে। পূর্ববর্তী পরীক্ষার সন, মারহালা, রোল নং ও পাশের বিভাগ উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে। ফি অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর সমান।

৪.    ফযীলাত মারহালার ‘তাহরীকে দারুল উলূম দেওবন্দ’-এর পরীক্ষা কিতাব ভিত্তিক হবে। নির্ধারিত কিতাব -দেওবন্দ আন্দোলন : ইতিহাস, ঐতিহ্য, অবদান (নিসাব : পূর্ণ কিতাব) লেখক ঃ মাওলানা আবুল ফাতাহ মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া (রহ:)।

৫.    ফযীলাত মারহালার “ফিরাকে বাতিলা” সংক্রান্ত নমূনা প্রশ্নপত্র পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন। শরহুল ‘আকাইদের ৪টি এবং “ফিরাকে বাতিলার” ২টি প্রশ্ন হবে  এবং শরহুল ‘আকাইদের ২টি ও ফিরাকে বাতিলার ১টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। ফিরাকে বাতিলার জন্য সহযোগী বই “ইসলামী ‘আকীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ”। লেখক : মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন।

৬.    ইবতিদাইয়্যাহ (প্রাইমারী)-তে কুরআন শরীফের নাযিরা-তিলাওয়াতের  ১০০ নম্বরের (মৌখিক) পরীক্ষায় পাশ ৫০ নম্বর নির্ধারিত। পূর্ণ কুরআন মজীদ থেকে পরীক্ষা হবে। নাযিরা পরীক্ষায় ফেল করলে কোন অবস্থাতেই উত্তীর্ণ বিবেচিত হবে না।

৭.    ইবতিদাইয়্যাহ- তে তা’লীমুল ইসলামের সাথে ‘ইসলামী তাহযীব’ এর পরীক্ষা হবে। ইসলামী তাহযীব (পৃঃ ৪৮-৬০) থেকে ২টি প্রশ্ন হবে। একটির উত্তর দিতে হবে।

৮.   হিফয পরীক্ষার বিষয় ও নম্বর নিম্নরূপঃ তিলাওয়াত (ইয়াদ) ১০০, তাজবীদ (মৌখিক) ৫০ এবং মাসাইল (রাহে নাজাত কিতাব পর্যায়ের) ৫০। মোট ২০০ (হিফযের নিসাব নামা দ্রষ্টব্য)। তিলাওয়াত (ইয়াদ) বিষয়ে ফেল করলে কোন অবস্থাতেই উত্তীর্ণ বিবেচিত হবে না। তাহ্ফীযুল কুরআন পরীক্ষায় বিভাগ বিন্যাস তিলাওয়াত (ইয়াদ) বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে হবে। অর্থাৎ মুমতায : তিলাওয়াতে ৮০ সহ মোট ১৭০, জায়্যিদ জিদ্দান : তিলাওয়াতে ৭০ সহ মোট ১৫০, জায়্যিদ : তিলাওয়াতে ৬০ সহ মোট ১২০, মাকবূল : তিলাওয়াতে ৫০ সহ মোট ৯০।

৯.    সানাবিয়া ‘উলইয়া -মহিলা (শরহুল বিকায়া) মারহালার পরীক্ষা দেয়া আবশ্যক। তাই সকল মহিলা মাদরাসা সানাবিয়া ‘উলইয়া-এর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। ৩৫তম পরীক্ষা ১৪৩৩হিঃ / ২০১২ ঈঃ থেকে সানাবিয়্যাহ ‘উলইয়া পরীক্ষায় পুরুষ মারকাযের ন্যায় মহিলা মাদরাসার অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

১০.   কোন পুরুষ মাদরাসা হতে বালিকা পরীক্ষার্থী নেয়া হবে না। আপনার মাদরাসায় কোন বালিকা পরীক্ষার্থী থাকলে ভিন্ন একটি ইলহাকী নম্বরে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এ ইলহাকী নম্বর বেফাকের পরীক্ষা বিভাগে যোগাযোগ করে জেনে নিতে হবে। এ বালিকা পরীক্ষার্থীদের কোন মহিলা মারকাযে পরীক্ষা দিতে হবে। তবে কোন মহিলা মাদরাসা হতে বালক / পুরুষ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারবে না।

 

                                                         বিজ্ঞপ্তি নং (১)

পরীক্ষার ফরম পূরণ ও ফি প্রেরণের নিয়মাবলী

৪২তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা -১৪৪০ হিঃ/ ২০১৯ ঈঃ

১।    চলতি বছর ৪২ তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) অনুযায়ী আপনাদের মাদরাসার পরীক্ষার্থীদের নাম, পিতার নাম ও জন্ম তারিখ সম্বলিত পরীক্ষার্থীদের ফি-এর ফরম প্রেরণ করা হল। এ ফরমে পরীক্ষার্থীদের ফি উল্লেখ করে ফরমের নিচের অংশে মুহতামিম সাহেবের দস্তখত ও সীল প্রদান করে বেফাক দফতরে পাঠিয়ে দিবেন। ফরমটির অনুলিপি মাদরাসার দফতরে সংরক্ষণ করবেন। প্রেরিত পরীক্ষার্থী ফি-এর ফরমে কোন ভুল ভ্রান্তি থাকলে তা লাল কালি দ্বারা সংশোধন করে দিবেন। প্রয়োজনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগে যোগাযোগ করবেন। তবে প্রেরিত ফরমে পরীক্ষার্থী পরিবর্তন বা নতুন কোন পরীক্ষার্থী অন্তর্ভূক্ত করা যাবে না।

২।    ৪২তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় মুতাওয়াসসিতাহ, ইবতিদাইয়্যাহ এবং তাহফীযুল কুরআন ও ’ইলমুত তাজবীদ ওয়াল ক্বিরাআত পরীক্ষার্থীদের সদ্য তোলা পাসপোর্ট আকারের ছবি আবশ্যিকভাবে হল পরিচালককে প্রদর্শন করতে হবে। পরীক্ষার্থীর বেতাকা (প্রবেশপত্র) প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট মাদরাসার মুহতামিম সাহেবের সীলসহ স্বাক্ষরিত একটি ছবি বেতাকায় সংযুক্ত করে দিবেন। উল্লেখ্য যে, এ বিধানটি শুধু পুরুষ মাদরাসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

৩।   নিবন্ধন ফরমে যে সকল পরীক্ষার্থীদেরকে অনিয়মিত দেখানো হয়েছে তাদেরকে অনিয়মিত হিসাবেই ফি দাখিল করতে হবে। অর্থাৎ অনিয়মিতকে নিয়মিত এবং নিয়মিতকে অনিয়মিত করা যাবে না।

৪।    মারহালাওয়ারী ফি-এর বিবরণী ফরমটি পূরণ করে পরীক্ষার্থী ফরমের সহিত অবশ্যই জমা দিবেন।

৫।    ‘রোল নং’ ঘরটি খালি রাখবেন; এটি দফতরে বেফাক পূরণ করবে।

৬।   ‘ফি’-এর ঘরে টাকার পরিমাণ অংকে ও কথায় পরিস্কার করে লিখবেন।

৭।    ফরম ও ফি পাঠাবার শেষ তারিখ ৩০ জুমাদাল উলা ১৪৪০ হি:। এর পরে প্রতি পরীক্ষার্থীর জন্যে শতকরা ১০% হারে বর্ধিত ফি দিতে হবে। বর্ধিত ফিসহ ফরম গ্রহণের সর্বশেষ তারিখ ১৫ জুমাদাল উখরা ১৪৪০ হিজরী।

৮।   ফি-এর সঙ্গে বেফাকের অন্যান্য প্রাপ্য (বকেয়া/বর্তমান বছরের) যথা- বার্ষিক চাঁদা, মারকায ফি/চাঁদা (যদি থাকে) এবং কুপনের টাকা ইত্যাদিও পাঠিয়ে দিবেন।

৯।   প্রেরণের সুবিধার্থে মারকাযের অন্তর্ভূক্ত সকল মাদরাসার কাগজপত্র, ফরম, ফি ইত্যাদি সংগ্রহ করে এক সাথে হাতে হাতে বেফাক অফিসে জমা দিতে পারবেন।

১০।   চেক, টি.টি, অনলাইন ও কুরিয়ার সার্ভিসে টাকা পাঠাবেন না। খামের ভিতর নগদ টাকা প্রেরণ করা নিষেধ। এসব মাধ্যমে টাকা প্রেরণ করলে ঐ টাকা বেফাক গ্রহণ করবে না।

১১। যে কোন প্রকার টাকা প্রেরণ ও আর্থিক লেন-দেন সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য- ০১৯৭৭৫০৫০৫৭, ০১৮৭৭৩৮৫৯৪৯ নম্বরে যোগাযোগ করুন।

১২।   সর্বশেষ তারিখের প্রতি অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে। বিগত ৩১তম পরীক্ষা হতে পরীক্ষার সকল কার্যক্রম কম্পিউটার সফটওয়্যার-এর মাধ্যমে সম্পাদন করা হচ্ছে। একই মাদরাসার পরীক্ষার্থী ফরম একাধিক বার জমা করা পরীক্ষার ধারাবাহিক কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তাই একান্ত প্রয়োজনে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে একবার মাত্র পুণঃ পরীক্ষার্থী নেয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। কোন অবস্থাতেই একবারের বেশী নেয়া যাবে না।

১৩।  ফি-এর টাকা কোন মাধ্যমে পাঠালেন তার তথ্য মারহালাওয়ারী ফি-এর বিবরণী ফরমে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

১৪।  একাধিক মাদরাসার ফি এক সাথে প্রেরণের ক্ষেত্রে আলাদা কাগজে বিবরণ দিতে হবে।

                                                           বিজ্ঞপ্তি নং (২)

কেন্দ্রীয় পরীক্ষার অন্তর্ভূক্তি ফি’-এর টাকা পাঠানোর নিয়মাবলী

৪২তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা ১৪৪০ হিজরী /২০১৯ ঈসায়ী

১। পরীক্ষার ফি’-এর টাকা “বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ” / Befaqul Madarisil Arabia Bangladesh এই নামে ব্যাংকে পে অর্ডার করে, পে অর্ডারের মূল কপিসহ অন্তর্ভূক্তি ফরম অফিসে নিজ হাতে অথবা লোক মারফত জমা দিতে হবে।

২। কুরিয়ার সার্ভিস যোগে ফরম প্রেরণ করলে উপরে উল্লেখিত নিয়ম মোতাবেক পে-অর্ডার করে, পে- অর্ডারের মূল কপি ও ফরম এক সংগে  হোম ডেলিভারি দিয়ে প্রেরণ করতে হবে।

৩। পে অর্ডার করতে একান্ত অপারগ হলে সর্বোচ্চ ১০,০০০/- টাকা পর্যন্ত অফিসে নগদ জমা দেয়া যাবে। ১০,০০০/-  টাকার ঊর্ধে হলে অবশ্যই পে অর্ডার- এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে ।

৪। চেক, টি টি, অনলাইন, কুরিয়ার সার্ভিস অথবা খামের ভিতর কিংবা অন্য কোন পন্থায় টাকা পাঠালে বেফাক কর্তৃপক্ষ এ টাকা উত্তোলন করবে না এবং এর কোন দায়-দায়িত্বও বহন করবে না।

৫। হাতে হাতে পরীক্ষার ফি-এর ফরম ও ফি’ পৌঁছাবার সুবিধার্থে মারকাযের অন্তর্ভূক্ত সকল মাদরাসার কাগজপত্র ও পে অর্ডার (পরীক্ষার ফি-এর টাকা) – এর মূলকপি এক সাথে বেফাক অফিসে নিয়ে আসা যেতে পারে।

৬। পে-অর্ডার এর মূল কপির অপর পৃষ্ঠায় রেখা টানা স্থানে যে সকল মাদরাসার টাকা পে‘অর্ডার করা হয়েছে তাদের “ইলহাক নং” ও মোবাইল নং পেনসিল দ্বারা লিখে দিতে হবে।

৭। পরীক্ষার ফি এর সাথে মারকায ফি, বার্ষিক চাঁদা ইত্যাদি  টাকা ডিডি করলে আলাদা কাগজে উক্ত টাকার বিবরণ ও মাদরাসার ইলহাক নং উল্লেখ করতে হবে।

৮। পে’ অর্ডার নম্বর ও ব্যাংকের নাম, টাকার পরিমাণ ‘মারহালাওয়ারী বিবরণী ফরমে’ অবশ্যই উল্লেখ করবেন।

বিঃ দ্রঃ- ব্যাংকে পে অর্ডার করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে লক্ষণীয় :

(১) পে অর্ডার এর Pay to স্থানে “বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ” / Befaqul Madarisil Arabia Bangladesh” বাংলা / ইংরেজী যে নামেই হোক, শুদ্ধ ভাবে লিখে দিতে হবে।

(২) পে’ অর্ডার এর টাকার পরিমাণ অংকে ও কথায় মিলিয়ে নিতে হবে।

(৩) কোন ব্যাংক পে’ অর্ডার দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ডি.ডি গ্রহন করা যাবে। ডিডির ক্ষেত্রে ব্রাঞ্চ যাত্রাবাড়ীর আশেপাশে যে কোন স্থানে দেয়া যেতে পারে।

* পরীক্ষা বিভাগীয় যে কোন তথ্যের জন্য : পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ০১৮১৯৮১৮৭৯৮ সহ.পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ০১৭১৬২৯৯৪৪৪

* মাদরাসা রেজিষ্ট্রেশন, ফরম ও টাকা পৌঁছানো সংক্রান্ত তথ্যের জন্য : ০১৯৭৭৫০৫০৫৭

* কেবলমাত্র আর্থিক লেনদেন : ০১৮৭৭৩৮৫৯৪৯।

(সুত্র : বেফাক ওয়েবসাইট)

 

Tagged , ,