Category Archives: জাতীয়

নিখোঁজের ৫দিন পরও সন্ধান মেলেনি আবু ত্ব-হা আদনানের

রাহবার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সামাজিক মাধ্যমে বহুল আলোচিত একজন ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিখোঁজ হওয়ার পাঁচদিন পরও পুলিশ তার কোন হদিস করতে পারেনি।

তার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং পুলিশ ও র‍্যাবের প্রধানদের বরাবরে চিঠি দিয়ে আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে বের করার দাবি জানানো হয়েছে।

আদনানের স্ত্রী বলেছেন, পুলিশ এবং র‍্যাবের সাথে দফায় দফায় যোগাযোগ করার পরও তারা কিছু জানতে পারছেন না।

গত বৃহস্পতিবার রাতে রংপুর থেকে ঢাকায় ফেরার পথে আদনান তার দু’জন সহকর্মী, গাড়ি চালক সহ চারজন নিখোঁজ হন। তাদের বহনকারী গাড়িটিরও কোন খোঁজ মেলেনি।

নিখোঁজ আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের স্ত্রী সাবেকুন নাহার মঙ্গলবার ঢাকায় পুলিশ এবং র‍্যাব সদর দপ্তরে গিয়ে বাহিনী দু’টির প্রধানদের বরাবরে চিঠি জমা দিয়েছেন। এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী বরাবরেও চিঠি লিখেছেন।

গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গেটে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের কাছে তিনি সেই চিঠি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

সাবেকুন নাহার বলেছেন, তিনি তার স্বামী নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে কিছুই জানতে পারছেন না। সেজন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়ে চিঠিগুলো লিখেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

“চিঠিতে আমার বক্তব্য হচ্ছে, আমি আমার স্বামীকে ফেরত চাই। যদি আমার স্বামী কোন ভুল করে থাকে বা তার যদি কোন অন্যায় থাকে, তারপরওতো আমাকে তথ্য জানাতে হবে যে সে কোথায় আছে। আমার তো এতটুকু জানার অধিকার আছে। কিন্তু আমি কোন কিছু জানতে পারছি না” – বলেন স্ত্রী সাবেকুন্নাহার।

তিনি অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী নিখোঁজ হওয়ার পর মামলা করার জন্যও তাকে থানায় থানায় ঘুরতে হয়েছে। আদনান রংপুর থেকে ঢাকায় আসার পথে নিখোঁজ হন। কিন্তু ঠিক কোথা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন – এই প্রশ্ন তুলে ঢাকার মিরপুর এলাকার দু’টি থানায় প্রথমে তাদের জিডিও নেয়া হয়নি।

শেষপর্যন্ত ঘটনার পরদিন শুক্রবার নিখোঁজ ঐ ব্যক্তির মা এবং স্ত্রী রংপুরে থানায় গিয়ে দু’টি জিডি করেছিলেন।

রংপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আবু মারুফ হোসেন বলেছেন, ঢাকার কাছাকাছি এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে তারা নিশ্চিত হয়েছেন। তবে এখনও ঘটনার কোন সূত্র পাওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

“আসলে সে নিখোঁজ হয়েছে ঢাকা থেকে। আমাদের কাছে দুটো জিডি হয়েছে। গাড়ির চালক এবং মি: আদনান ও তার দু’জন সহকর্মীসহ চারজন নিখোঁজ হয়েছে। তারা ভাড়া করা গাড়িতে একইসাথে ছিল।”

পুলিশ কর্মকর্তা মি: হোসেন আরও বলেছেন, “সর্বশেষ যোগাযোগ অনুযায়ী তারা ঢাকার গাবতলী পার হয়ে মিরপুর ১১ নম্বরের কাছাকাছি ছিল। সেখান থেকে তার পরিবারের সাথেও কথা হয়েছে। সে বলেছে তারা আর ১০ বা ১৫ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাবে। কিন্তু এরপর থেকেই তারা ডিসকানেক্টেড হয়ে যায়। তাদের আর ট্রেস পাওয়া যায়নি।”

আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের স্ত্রী সাবেকুন নাহার গত সোমবার মিরপুরের পল্লবী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

তবে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন, ঢাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে তারা এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি।

তিনি জানিয়েছেন, অভিযোগ এখনও মামলা হিসাবে তারা গ্রহণ করেননি। কিন্তু তারা অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন বলে তিনি দাবি করেন।

আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে পুলিশ এখনও কোন কুলকিনারা করতে পারছে না।

আদনানের একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। সেখানে তিনি ইসলাম সম্পর্কে বক্তব্য দিতেন।

এছাড়া তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্মীয় সমাবেশে যেতেন বক্তা হিসাবে। কোরআন শিক্ষা দেয়ার জন্য তার একটি মাদ্রাসা ছিল।

তার পরিবারের কাছ থেকে এসব তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ কর্মকর্তা আবু মারুফ হোসেন বলেছেন, আদনানের কর্মকাণ্ড, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে এসবের ওপর ভিত্তি করে তারা অনুসন্ধান কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

“তার পেশাগত কিছু বিষয় থাকতে পারে বা ব্যক্তিগত জীবন- কোথাও কোন বিরোধ ছিল কিনা – এসব আমরা খতিয়ে দেখছি।”

আদনানের স্ত্রী বলেছেন, তার স্বামীর নিখোঁজ হওয়ার পেছনে কি কারণ থাকতে পারে- সেটা তারা ধারণা করতে পারছেন না।

একইসাথে তিনি ঘটনা সম্পর্কে বলেছেন, “উনি (আবু ত্ব-হা আদনান) আসলে রংপুর থেকে বগুড়ায় একটা প্রোগ্রামে আলোচক হিসাবে গিয়েছিলেন। সেই প্রোগ্রামটি কোন কারণে হয়নি। সেখান থেকে দু’জন সহকর্মীসহ গাড়িতে ঢাকা আসছিলেন।”

“উনি টেলিফোনে আমাকে বলেছিলেন যে, দু’টি মোটরসাইকেলে দু’জন লোক তাদের অনুসরণ করছিলো। একপর্যায়ে অনুসরণকারীদের তারা আর দেখতে পায়নি। তবে নিখোঁজ হওয়ার কোন কারণ আমি বুঝতে পারছি না” বলেন সাবেকুন নাহার।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা

Tagged

মোদি বিরোধী হাটহাজারী রণক্ষেত্র, মাদরাসা ছাত্রসহ পাঁচজন শহীদ

রাহবার নিউজ ডেস্ক: জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ওপর দফায় দফায় পুলিশ ও যুবলীগ-ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার প্রতিবাদে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিক্ষোভরত হাটহাজারী মাদরাসার ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন মাদরাসাছাত্র এবং বাকি দুইজনের পরিচেয় পাওয়া যায়নি। ৫ জনের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রয়েছে। নিহত তিন মাদরাসাছাত্র হলেন মেরাজুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলম।

জানা গেছে, শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদে মুসল্লি ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনার প্রতিবাদে চট্টগামে হাটহাজারীতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন হাটহাজারী মাদরাসার ছাত্ররা।

পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীরা হাটহাজারী থানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এদিকে ফাঁকা গুলি ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করা চেষ্টা চালায় পুলিশ।

এদিকে নিহত ও আহত মাদরাসার ছাত্রদের দেখতে চট্টগ্রাম মেডিকেলে গিয়েছেন হেফাজতের আমীর ও হাটহাজারী মাদরাসার শিক্ষা পরিচালক আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী। সাথে ছিলেন শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মুফতী হারুন ইজহার ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

Tagged , ,

আমেরিকা আমাদের চেয়ে তিন মাস পিছিয়ে আছে: স্বাস্থমন্ত্রী

রাহবার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ যা আজ চিন্তা করে, আমেরিকা তা তিন মাস পর করে। ১০জানুয়ারি বুধবার বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন’র আয়োজনে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘জাতীয় কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম: বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ দাবি করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, মাত্র ছয়টা দেশ গণহারে টিকাদান শুরু করেছে। তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। আমরা টিকার জন্য মর্ডানা, ফাইজার সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। শেষ পর্যন্ত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা আমরা কিনে এনেছি।

তিনি আরও বলেন, একটি গ্রুপ শুধু সমালোচনা করেছে, কোনো সহযোগিতা করেনি। আমরা তিন মাস আগে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলাম ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ আমেরিকা আজ সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ কোভিড নিয়ন্ত্রণে আমেরিকা আমাদের চেয়ে তিন মাস পিছিয়ে আছে।

কেন্দ্রীয় হেফাজত নেতা মাওলানা জসিমউদ্দীনের উপর সন্ত্রাসী হামলা

রাহবার নিউজ ডেস্ক: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর সহকারী মহাসচিব ও লালবাগ জামিয়ার সিনিয়র মুহাদ্দিস, মুফতী আমিনী রহঃ এর জামাতা লালবাগ জামিয়ার শুরা সদস্য মাওলানা জসিমউদদীন এর উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পুরান ঢাকার লালবাগ মাদরাসা থেকে বাসায় ফেরার পথে তার উপর এ অজ্ঞাত হামলা হয়। এ সময় তাকে পিছন দিক থেকে ছুরিকাঘাত করে হামলাকারীরা। মারাত্মকভাবে আহত হোন তিনি। প্রথমে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যালের ইমার্জেন্সি বিভাগে ভর্তি করা হলেও অবস্থার আরো অবনতি হওয়ায় থাকে রাজধানী’র ল্যাবএইড হাসপাতালে স্থানান্তর করে নিয়ে যাওয়া হয়।

কারা তার উপর এ হামলা করেছে তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তার উপর এ হামলা করেছে অজ্ঞাত বাহিনী।

হামলার পর হাসপাতালে নেওয়ার সময়ের একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যায়, হেফাজত নেতা মাওলানা জসিমউদ্দীনের পেছনে থেকে অনবরত রক্ত ঝড়ছে। রক্তে লাল হয়ে গিয়েছে তার শরীরের পেছনের অংশ। এরপর একটি সিএনজি করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে।

তার পুত্র আশরাফ মাহদী ফেসবুক পোষ্ট এর মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে।

আলজাজিরা বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখতে পারে না, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাহবার ডেস্ক: কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার বাংলাদেশ নিয়ে সাম্প্রতিক আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রতিবেদনে তথ্যগত ত্রুটি আছে মন্তব্য করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

বুধবার ঢাকায় গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন যে, আল জাজিরা বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখতে পারে না। আল জাজিরার কাজই হচ্ছে মুসলিম দেশগুলোর দোষ খুঁজে বের করা। সেখানে অনেকে ফান্ডিং করে। ব্রিটিশরা নিয়ন্ত্রণ করে এটি। আমাদের একজন জামাই তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন। যেটি খুবই দু:খজনক, যারা সবসময়ই ভালো জিনিসের বিপক্ষে আছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আল জাজিরা একটা প্রতিবেদন করেছে, একটা ছবি দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর পেছনে দাঁড়ানো দুই ভদ্রলোক, দুই ভাই যারা বিতর্কিত, বলছে তারা প্রধানমন্ত্রীর বডিগার্ড। যেটি ডাহা মিথ্যা। উনার (প্রধানমন্ত্রী) কোনো বডিগার্ড নেই, বিরোধী দলে থাকাবস্থায়ও ছিল না, সব নেতাকর্মীরাই তার বডিগার্ড। এখন এসএসএফ আছে। কেউ পেছনে এসে ছবি তুললেই বডিগার্ড হয়ে যায় না। এটি তাদের মিথ্যা সংবাদ। আলজাজিরার মতো নামকরা গণমাধ্যম এ ধরণের সংবাদ করতে পারে, বিষয়টি অবাক করার। তাদের (আলজাজিরা) উচিত ক্ষমা চাওয়া।

আল জাজিরার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, না আমরা সরাসরি যোগাযোগ করি নাই। আমরা এই প্রতিবেদনের নিন্দা জানিয়েছি।

বাংলাদেশে আল জাজিরার সম্প্রচার বন্ধের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আল জাজিরা বলেছে আরও কয়েকটি প্রতিবেদন দেখাবে। তাদের সম্প্রচার বন্ধ করার আপাতত কোনো পরিকল্পনা নাই। কারণ আমরা বন্ধ করে খুব একটা লাভ নাই, পৃথিবী এখন উন্মুক্ত। আমরা আশা করব, আলজাজিরা আরও দায়িত্বশীল হবে। অনেকে ধারণা করছেন, অনেকে পয়সা দিয়ে আলজাজিরাকে দিয়ে এই প্রতিবেদন করিয়েছে।

আল জাজিরা তার গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে মন্তব্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমেরিকায় আলজাজিরা দেখা যায় না। অতিরিক্ত টাকা দিয়ে দেখতে হয়।

আলজাজিরার প্রতিবেদন পেইড নিউজ কিনা এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, সে রকমই তো মনে হচ্ছে। এ কারণে এটি বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে।

আল জাজিরার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, আমরা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব। প্রতিবেদনে তথ্যগত ত্রুটি রয়েছে । প্রতিবেদনে তথ্যগত যে ভুল আছে সেটির বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই আমরা লিগ্যাল অ্যাকশনে যেতে পারি।

Tagged ,

ভাস্কর্য(মূর্তি) বিরুধী মিছিলে গ্রেফতার হওয়া কারামুক্তদের সংবর্ধণা দিলো খেলাফত যুব মজলিস

রাহবার ডেস্ক: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ও সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমসহ আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে কটূক্তি ও দেশের বিভিন্ন স্থানে দ্বীনি মাহফিল বন্ধ ও ভাস্কর্য নির্মাণের প্রতিবাদ মিছিলে অংশগ্রহন করে গ্রেফতার হওয়া সদ্য কারামুক্তদের সংবর্ধণা দিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস।

সোমবার (২৮শে ডিসেম্বর) বিকালে তারবিয়াতুল উম্মাহ মাদরাসা ঘাটারচর, কেরাণীগঞ্জে এই সংবর্ধণা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব,বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক।

উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম থেকে শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে শান্তিনগরে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে পুলিশ সেখান থেকে ২০-২৫ জন ছাত্রকে আটক করে।

জানা যায়, গতকাল জুমার নামাজের পর বিভিন্ন মাদরাসা থেকে ছাত্ররা বায়তুল মোকাররমে জড়ো হয়। নামাজ শেষে তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাস্কর্য নির্মাণের প্রতিবাদে স্লোগান দেয়। তারা মিছিল নিয়ে পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগর হয়ে শান্তিনগরে যায়। সেখানে পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়।
শিক্ষার্থীরা জানায়, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামের একটি সংগঠন সম্প্রতি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির সৈয়দ ফয়জুল করীম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মামুনুল হককে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছে এবং তাদের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষার্থীরা বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ মিছিল করতে এসেছিলেন; কিন্তু পুলিশ তাদের বাধা দিয়েছে। এ সময় পুলিশ তাদের ২০-২৫ জনকে আটক করে।

করোনা পরিস্থিতি: বিশ্ব ইজতেমা কি হবে এবার?

রাহবার ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দূরত্ব বজায় রাখার উপর জোর দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এমন পরিস্থিতিতে এবারের তাবলিগের বিশ্ব ইজতেমা হবে কি না? তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। রাজধানীর সন্নিকটে তুরাগ নদীর তীরে আগামী বছরের ৮ জানুয়ারি এ বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এখনো এ বিষয়ে সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। যা অন্যান্য বছর ডিসেম্বরের শুরুতেই অনুমোদন দিয়ে দিতো সরকার।

এদিকে সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকারের তরফ থেকে এবারের ইজতেমার ব্যাপারে নিরুত্সাহিত করা হয়েছে ইজতেমা আয়োজকদের। শেষ পর্যন্ত জোড়ের মতো একদিনের ইজতেমা করার অনুমতি দেয়া হতে পারে। আর যদি অনুমতি হয়ও তবু ফ্লাইট বন্ধ থাকায় বিদেশি মেহমানদের অংশগ্রহণ ছাড়াই অনুষ্ঠিত হবে সে ইজতেমা।

বিশ্ব ইজতেমা মাঠের জিম্মাদার ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজ হান্নান এ বিষয়ে বলেছেন, ‘বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে কি হবে না, সেটা ইজতেমার শুরুর ১০ দিন আগেও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তাছাড়া করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। দেশের ভেতরেও কোথাও কোনো ধরনের সমাবেশ পালিত হচ্ছে না। সে হিসেবে আমরা দেশের পরিস্থিতির বিবেচনা করে নিশ্চিত করে কোনো কিছু জানাতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘গতবছর আমাদের ঘোষিত ইজতেমার প্রথম পর্বের তারিখ ছিলো ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি ২০২১। দ্বিতীয় পর্ব ছিলো ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি ২০২১। এখনো আরও দেড় সপ্তাহ বাকি। অনুমতি পাইনি এখনো। যদি সরকার ইজতেমা করার অনুমতি দেয় তাহলে আমরা ইজতেমার আয়োজন করবো। তবে ইজতেমা আয়োজনের জন্য প্রস্তুতি চালু রেখেছি আমরা।’

এদিকে সাদপন্থীর জিম্মাদার ও মারকাজুল উলুম আশ-শরীয়াহ সাভারের প্রিন্সিপাল মাওলানা জিয়া বিন কাসেমী বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে বিশ্ব ইজতেমা করার জন্য সবরকমের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। সরকারকে আমরা চিঠি দিয়েছি। এখনো কোনো সবুজ সংকেত পাইনি।’

আল্লামা শফীর মৃত্যু স্বাভাবিক : আল্লামা বাবুনগরী

রাহবার ডেস্ক: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তবে এ মৃত্যু নিয়ে একটি কুচক্রি মহল ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নির্জলা মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। তিন মাস পর ওই কুচক্রি মহল তার মৃত্যুকে অস্বাভাবিক আখ্যা দিয়ে একটি মিথ্যা মামলাও দায়ের করে। দায়েরকৃত মামলাটি ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’ এবং দেশের ‘স্থিতিশীল অবস্থা বিনষ্ট করার দুরভিসন্ধি’ বলে দাবি করেছেন হেফাজতের বর্তমান আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসা ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যৌথ ব্যবস্থাপনায় আল্লামা শাহ আহমদ শফির স্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে মিথ্যাচার, মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও হেফাজত নেতৃবৃন্দকে জড়িয়ে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন হেফাজতের আমির এসব কথা বলেন।

বাবুনগরী বলেন, ‘তার (আল্লামা শফী) মৃত্যু নিয়ে একটি কুচক্রি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাছাড়া হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্র ও হেফাজতের নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। আজকের এই সংবাদ সম্মেলন থেকে আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি, অনতিবিলম্বে দায়েরকৃত এ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরামদের সাথে পরামর্শ সাপেক্ষে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবো।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আল্লামা শফীকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগে দায়েরকৃত মামলাটি রাজনৈতিক চক্রান্ত দাবি করে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, ‘এই মামলা মাদ্রাসা শান্তিপুর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করা এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দকে হয়রানি করার হীন ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছু নয়। এ কুচক্রী মহল নিজেদের কর্মফলের পরিণতিস্বরূপ জনগণ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়ে ইসলামী নীতি ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছে। এখন তারা আল্লামা শফির মৃত্যু নিয়ে নতুন ফায়দা লুটার উদ্দেশ্যে চক্রান্তে নেমেছে। মামলাটি সেই চক্রান্তেরই অংশ।’

মাদ্রাসা মিলনায়তনে আয়োজিত উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হেফাজতে ইসলামের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ড. নুরুল আবছার আজাহারী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের প্রধান উপদেষ্ঠা আল্লামা শাহ মহিবুল্লাহ বাবুনগরী, উপদেষ্ঠা আল্লামা নোমান ফয়জী, নায়েবে আমীর আল্লামা মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, মুফতি জসিম উদ্দীন, আল্লামা তাজুল ইসলাম, আল্লামা মোহাম্মদ শোয়াইব, সদস্য মুফতি কেফায়েতুল্লাহ, যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা লোকমান হাকিম, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনীর, আল্লামা কবির আহমদ, আল্লামা হাবিবুল্লাহ আজাদি, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদি, আল্লামা দিদার কাসেমী, সহকারী মহাসচিব আল্লামা আশরাফ আলী নেজামপুরী, আল্লামা ফোরকান আহমদ, আল্লামা ওমর কাসেমী, আল্লামা মাহমুদুল হাসান, আল্লামা আতাউল্লাহ, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মীর ইদ্রিস, প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, সহকারী অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আহসানুল্লাহ, মাওলানা শফিউল আলম, সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাওলানা আনোয়ার শাহ আজহারী, মাওলানা হারুন আজিজ, মুফতী আবু সাইদ, মুফতী রাশেদ, মুফতী আব্দুল্লাহ নাজিব, মাওলানা মোহাম্মদ বাবুনগরী ও মাওলানা আব্দুস সবুর প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, একটি চিহ্নিত দালালগোষ্ঠী আল্লামা শফীকে জিম্মি করে হাটহাজারী মাদরাসায় ব্যক্তিতন্ত্র কায়েম করে রেখেছিল। সেখানে নানা অনিয়ম এবং ছাত্রদের ওপর অব্যাহত হয়রানি ও নির্যাতন চালিয়ে তাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তোলা হয়েছিল। এ ছাড়া বেশ কিছু স্বনামধন্য শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে অন্যায়ভাবে চাকুরিচ্যুত করে বের করে দেওয়া হয়েছিল, যা ছিল অত্যন্ত অবমাননাকর। তাদের অনিয়ম ও ক্রমাগত হয়রানিতে অতিষ্ঠ হয়ে হাটহাজারী মাদ্রাসা ছাত্ররা জুলুমতন্ত্রের বিরুদ্ধে তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়।

আল্লামা শাহ আহমদ শফীর স্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়টি তার পরিবার ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সুস্পষ্টভাবে দেশবাসীকে জানিয়েছিলেন। অনেক আগ থেকে তার শারীরিক অবস্থা এতই নাজুক ছিল, বেশ কয়েকবারই তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। সুতরাং, আল্লামা আহমদ শফিকে হত্যার অভিযোগ তুলে যারা মামলা করেছে, তারা একটি চিহ্নিত দালালগোষ্ঠী। তারা দেশের আলেম সমাজ ও সচেতন তৌহিদি জনতার কাছে প্রত্যাখ্যাত। মামলায় তথাকথিত হত্যার যেসব কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো অতিরঞ্জন ও মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আমরা মনে করি।

সম্পূর্ণ আল্লাহর ইচ্ছায় ওনার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল এমনটা দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, তাকে হত্যা করা হয়েছিল এমন কোনো মেডিকেল রিপোর্টও দালালগোষ্ঠীরা জাতির সামনে উপস্থাপন করতে পারেনি। কিছুদিন আগে ঐ চিহ্নিত গোষ্ঠী আয়োজিত একটি সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদেরকে আল্লামা আহমদ শফির হত্যা বিষয়ক প্রশ্নগুলোরও তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। দায়েরকৃত মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে এবং বিবরণে যাদেরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, তারা কেউ এর সাথে সম্পৃক্ত নয়। সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা সম্পূর্ণ মিথ্যা ষড়যন্ত্র ও উদ্দেশ্যমূলক।

আল্লামা শফী রহঃ এর মৃত্যুর ঘটনায় মামুনুল হকসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

রাহবার নিউজ: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর সাবেক আমির শাহ আহমদ শফী রহঃ এর মৃত্যুর ঘটনায় ৩৬ জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শাহ আহমেদ শফী রহঃ এর শ্যালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন হত্যার অভিযোগ এনে এই মামলা দায়ের করেছেন। এর আগে ১৬ ডিসেম্বর এক অনুষ্টানে মুফতী ফয়জুল্লাহ, মইনুদ্দিন রুহী, আনাস মাদানী সহ বেশ কয়েকজনের আলোচনায় মামলা করার বিষয়ে ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

আহমদ শফী রহঃ মারা যাওয়ার প্রায় তিন মাস পর এই মামলা দায়ের করা হলো। চলতি বছরের ১৮ই সেপ্টেম্বর মারা যান তিনি।

হেফাজতে ইসলামের সাবেক নেতা মুফতী ফয়জুল্লাহ বলেন, চট্টগ্রামের জেলা আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পিবিআইকে এক মাসের মধ্যে এই মামলার তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

অজ্ঞাতনামা ৩৬ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়। এদের মধ্যে হেফাজতে ইসলামের বর্তমান যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক সহ কয়েক জনের সুনির্দিষ্ট নাম দেয়া হয়েছে।

চলতি বছরের ১৮ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এর আগে অসুস্থ অবস্থায় তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়।

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন

রাহবার নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য (মূর্তি) ইস্যুতে বক্তব্য দেওয়ার সমালোচনা করার কারণে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী মামলা দায়ের করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করা হয়েছে। আজ রোববার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে ৩ টার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জিশান মাহমুদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরারব এই আবেদন দাখিল করেন।

জিশান মাহমুদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৯৬ ধারার বিধান মোতাবেক রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ আমলে নেওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন। এজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাবর আবেদন করা হয়েছে।