Category Archives: স্বাস্থ্য

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ডা. জাহাঙ্গীর কবির

রাহবার ডেস্ক: নিজের ব্যাক্তিগত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ডা. জাহাঙ্গীর কবির। শনিবার (৭ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা এক ভিডিওতে তিনি তার নিরাপত্তাহীনতার কথা জানান।

ডা. জাহাঙ্গীর কবির আরও বলেন, এফডিএসআর এর চিঠিটা মিডিয়াতে যাওয়ার ফলে আমি ব্যক্তিগতভাবে, অর্থিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমি আসলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি পারিবারিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমার বাবা-মা কান্নাকাটি করেছে। বিভিন্ন মিডিয়াতে যখন এই খবরগুলো এসেছে তারা অনেক কষ্ট পেয়েছে।

এর আগে, রোববার (১ আগস্ট) জাহাঙ্গীর কবিরের কর্মকাণ্ডকে অবৈজ্ঞানিক, অসত্য, দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে চিঠি দিয়েছে চিকিৎসকদের একটি সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি অ্যান্ড রাইটস (এফডিএসআর)।

ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের ঠিকানায় কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠানো এই চিঠিতে সংস্থাটির পক্ষে বলা হয়, ডা. জাহাঙ্গীর কবির কিটো ডায়েট নিয়ে ভুল এবং অসত্য তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এই ডায়েটের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে কোনো লিখিত বা মৌখিক কাউন্সেলিং করেন না। বরং ডায়াবেটিস, কিডনিসহ বিভিন্ন রোগীদের ব্যাপকভাবে কিটো ডায়েটের পরামর্শ দিয়ে ক্ষতি করছেন। তিনি বিভিন্ন চিকিৎসকের দেওয়া প্রেসক্রিপশনকে হেয় করে মন্তব্য করেছেন। করোনার টিকা নিয়ে ইম্যুনোলজি বিষয়ক ভুল বক্তব্য দিয়েছেন।

চিকিৎসকদের এই সংগঠন জাহাঙ্গীর কবিরের এসব কার্যক্রমকে ম্যালপ্র্যাকটিস বা অপচিকিৎসা বলে আখ্যা দিয়েছে ও তা চিকিৎসাবিজ্ঞানের নীতিবিরোধী ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলেছে।

এরপর মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) দুপুরে তার নিজস্ব ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি তার ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান।

উল্লেখ্য যে, ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়।

Tagged

করোনার টিকা হালাল নাকি হারাম?

করোনার টিকার শরয়ী হুকুম নিয়ে …

 

 

করোনা ভাইরাসের টিকা দেয়া শুরু হয়েছে বিভিন্ন দেশে৷ এর মধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে করোনার এই টিকা হালাল নাকি হারাম৷ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বিভিন্ন দেশ তো বটেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশের মুসলিমের মধ্যেও এ নিয়ে বিতর্ক চলছে৷

ব্রিটেনের কয়েকজন মুফতী একটি ফাতওয়ায় ‘সবশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী’ বায়োনটেকের টিকাকে ‘হালাল’ বলে ঘোষণা দিয়েছেন৷ কিন্তু তাতেও থামেনি বিতর্ক।

বায়োনটেক-ফাইজারের টিকা অনুমোদন দেয়ার মাধ্যমে বিশ্বে প্রথম করোনা টিকা দেয়া শুরু করে যুক্তরাজ্য৷ তখনই শুরু হয় এ বিতর্ক৷ ইসলামে শূকরের মতো কিছু পশুকে হারাম বা খাওয়ার জন্য নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে৷ কিন্তু টিকা তৈরিতে যে কোলেস্টেরল ব্যবহার হয়েছে, তার উৎস কী–এ নিয়েই প্রশ্ন উঠে৷ মুসলিমদের আশঙ্কার জায়গা ছিল–এই কোলেস্টেরল শূকরের চর্বি অথবা সঠিকভাবে জবাই না করা অন্য কোনো পশু, যেমন, গরুর চর্বি থেকেও তৈরি হতে পারে৷

‘টিকা হারাম’ দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের প্রচারণার ফলে ব্রিটেনের মুসলিমদের মধ্যে টিকা নেয়ার বিষয়ে অনাগ্রহ দেখা দিতে পারে, এমন আশঙ্কাও দেখা দেয়৷ ফলে বিতর্ক শুরুর কয়েকদিনের মাথায় ব্রিটিশ ইসলামিক মেডিক্যাল এসোসিয়েশন- বিআইএমএ এই বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে৷ বিবৃতিতে বিআইএমএ জানায়, এ বিষয়ে তারা সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ, ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন৷ তারা জানান, ‘এই টিকা তৈরিতে কোনো পশুজাত দ্রব্য বা কোষ ব্যবহার করা হয়নি৷

সৌদি আরবসহ বেশ কিছু মুসলিম রাষ্ট্রে এরই মধ্যে বায়োনটেকের টিকা দেয়া শুরু হয়েছে৷ এরই মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়াতে শুরু হয়েছে বিতর্ক৷

ইন্দোনেশিয়ার বেশ কিছু কূটনীতিক ও ইসলামী আলেম চীনে যান৷ কূটনীতিকেরা যখন দাম, পরিমাণ, সরবরাহ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করছিলেন, আলেমদের মূল দায়িত্ব ছিল টিকাটি হালাল কিনা তা নিশ্চিত করা৷ কিন্তু এখন চীনের টিকার বদলে যখন ইউরোপ-অ্যামেরিকার টিকা বাজারে চলে এসেছে, এ নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে নতুনভাবে৷

বায়োনটেকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের টিকায় শূকরজাত পণ্য নেই৷ কিন্তু আগেই অন্যান্য অনেক দেশের ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অনেক মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ চুক্তি করে ফেলায় সেসব দেশে আসা টিকা ‘জেলাটিনমুক্ত’ নাও হতে পারে৷

সরাসরি শূকর বা হারাম পশুর গোশত ও গোশতজাত পণ্য গ্রহণ ইসলাম ধর্মে হারাম৷ কিন্তু টিকা বা ঔষধে হারাম রাসায়নিকের ব্যবহার জায়েয হবে কিনা এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে৷ ব্রিটিশ ইসলামিক মেডিক্যাল আসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ড. সালমান ওয়াকার বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, ‘‘প্রাণীজ চর্বি থেকে যখন জেলাটিন ব্যবহার করা হয়, তখন তা বড় ধরনের রাসায়নিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়৷ প্রশ্ন হচ্ছে– তখন সেই রাসায়নিক দ্রব্যটিকেও ধর্মীয় দৃষ্টিতে হারাম বলা হবে কিনা৷”

অতীতে নানা টিকা নিয়ে একই বিতর্ক হয়েছে৷ তখন মোটামুটি এক ধরনের ঐক্যমত্যে পৌঁছান বিশেষজ্ঞরা৷ সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক হারুনুর রশীদ বলেন, ‘‘টিকার ব্যবহার না হলে বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে৷ ফলে এমন ক্ষেত্রে সবধরনের পশুজাত জেলাটিন ব্যবহার করা যাবে বলে মোটামুটি অনেকেই একমত হয়েছিলেন৷”

কিন্তু ইন্দোনেশিয়াতে অবশ্য আলেমগণ অন্যরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অতীতে৷ ২০১৮ সালে হাম ও রুবেলার টিকায় জেলাটিন ব্যবহার করা হয় বলে এই দুই টিকাকে হারাম বলে ঘোষণা করে দেশটির উলামা কাউন্সিল৷ সন্তানকে টিকা না দেয়ারও আহ্বান জানানো হয়৷ এর পরপরই হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় দেশটিতে৷ হামে সংক্রমিত হওয়ার হারে বিশ্বে তৃতীয় সর্বোচ্চ দেশে পরিণত হয় ইন্দোনেশিয়া৷ পরে উলামা কাউন্সিল তাদের মন্তব্য পালটে ‘টিকা হালাল’ ঘোষণা করলেও তখন সাধারণ মানুষ আর তাদের সন্তানদের টিকা দিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেননি৷

ফলে এখন করোনার টিকা নিয়েও যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তাতে একই ধরনের পরিস্থিতি আবারও সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ তাই বিকল্প চিকিৎসা না থাকার শর্তে একান্ত ঠেকাবশত তার আবশ্যকীয় ব্যবহারের বৈধতার পক্ষে মত দিচ্ছেন আলেমগণ।

Tagged

অবৈধভাবে রাস্তার উপর মসজিদ নির্মাণকারীদের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

রাহবার ডেস্ক: অবৈধভাবে রাস্তার উপর মসজিদ নির্মাণকারীদের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণের পর শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তিনি বলেন, মসজিদের একটি অংশ বর্ধিত করে রাস্তার উপরে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে রাস্তার উপর মসজিদের বর্ধিত অংশ কিভাবে নির্মাণ করা হলো এবং রাস্তার মধ্যে গ্যাস লাইনের পাইপ আছে কি না সেটাই প্রশ্ন।

তিনি বলেন, রাস্তা পরিষ্কার করে দেখা হবে এখানে গ্যাস লাইনের সংযোগ আছে কিনা। তারপরেই এ বিষয়ে পরিষ্কার হওয়া যাবে এবং গ্যাস লাইনের উপরে কিভাবে মসজিদ নির্মাণ করা হলো সেটাও বোঝা যাবে।

তিনি বলেন, যারা অবৈধভাবে রাস্তার জায়গার উপর মসজিদ নির্মাণ করেছে তাদের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। একইসাথে যেসব গ্রাহক অবৈধভাবে গ্যাস লাইনের সংযোগ গ্রহণ করেছেন তাদেরও শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।

আর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকলে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) রাতে নারায়ণগঞ্জ সদরের পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাম জামে মসজিদের এসি বিস্ফোরণ হয়ে ৩৭ জন দগ্ধ মুসুল্লি জাতীয় শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। এরই মধ্যে এখন পর্যন্ত ২০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

বেশি পানি পান করলে বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

রাহবার: বিশ্বজুড়ে বেড়েই চলেছে করোনভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। তাই এই সময়ে নিজের যত্ন নেয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সামাজিক দূরত্বের অনুশীলন, স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা এবং যথাসম্ভব ঘরে বসে থাকাই মারাত্মক ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।

এরপর যা করতে পারেন তা হলো স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া। তাতে করে আপনি যদি কোনোরকমভাবে ভাইরাসের সংস্পর্শে আসেন তবে আপনার দেহ তার সঙ্গে লড়াই করতে সক্ষম হবে। বেশ কয়েকটি খাবার এবং পানীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং রোগজনিত ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের সাথে লড়াই করতে সাহায্য করতে পারে। অবাক করা বিষয় হলো, পানি আমাদের রোগ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কীভাবে উপকার করে তা জেনে নিন-

পানির গুরুত্ব: পানি জীবনের মূল প্রয়োজনীয়তা। এটি শরীরের বিভিন্ন অংশে পুষ্টিকর এবং খনিজ বহন করে এবং বর্জ্য বের করে দেয়। এছাড়াও এটি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।

পানি যেভাবে সুস্থ রাখে: সাধারণভাবে কেউ অসুস্থ থাকলে বা জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার সময় তাদের হাইড্রেটেড রাখার পরামর্শ দেয়া হয়। কারণ পানি আমাদের শরীর থেকে প্রাকৃতিকভাবে অসুস্থতাজনিত টক্সিন এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সহায়তা করে।

পানি শরীরের বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন বহন করতেও সহায়তা করে। ফলে শরীরের সঠিক ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। স্বাস্থ্যকর এবং ফিট থাকার জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে দুই লিটার পানি পান করার পরামর্শ দেয়া হয়। অসুস্থ হলে পানি পানের পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টা করুন। শুধু পানি সবচেয়ে ভালো, তবে যদি আপনার দিনে আট গ্লাস পানি পান করতে অসুবিধা হয় তবে লেবু বা পুদিনা যোগ করতে পারেন। এগুলোও স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী।

পুদিনা ও পানি: পুদিনা একটি মূল্যবান ঔষধি যা আয়ুর্বেদিক ওষুধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যযুক্ত পুদিনা ফ্রি র‌্যাডিকাল ক্রিয়াকলাপ রোধ করতে সহায়তা করে। এটি আমাদের শরীরকে ডিটক্স করতে সহায়তা করতে পারে এবং এটি ত্বকের জন্যও ভালো।

লেবুপানি: লেবুতে উপস্থিত প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফোলেট এবং পটাসিয়ামও আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। দিনের শুরুতে একগ্লাস লেবুর রস মেশানো হালকা গরম পানি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বিস্ময়কর উপকারিতা বয়ে আনতে পারে।

লকডাউনে মোবাইল-ল্যাপটপে দৃষ্টি সারাক্ষণ, যেভাবে রক্ষা করবেন চোখ

রাহবার: ঘরবন্দি সময়ে একটানা মোবাইল, ল্যাপটপ দেখতে দেখতে চোখের দৃষ্টি ঝাপসা। ভালো করে দেখতেই পাচ্ছেন না! অনেকের এরই সঙ্গে চোখে জ্বালা, ব্যথা, কড়কড়ানি ভাব। যেন ধুলোবালি ঢুকেছে চোখে। চোখ ফুলে লাল। জলও গড়াচ্ছে। জল শুকিয়ে যাচ্ছে চোখের। যে উপায়ে এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন আসুন জেনে নেই।

১. কাজের ফাঁকে ছুটি নিন
প্রতি ১৫-২০ মিনিট অন্তর স্ক্রিন থেকে বিরতি নিন। কয়েক সেকেন্ড চোখ বন্ধ করে রাখুন। আপনার চোখের চারপাশের পেশীগুলি মাসাজ করুন। দুই ঘন্টার মধ্যে চোখে জলের ঝাপটা দিন। কিন্তু কখনোই হাত দিয়ে চোখ ঘষবেন না। চোখ শুকনো লাগলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে আই ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন।

২. নির্দিষ্ট সময় অনলাইন থাকুন
চেষ্টা করুন হাতের কিছু কাজ শিখতে। তাহলে কম সময় অনলাইনে থাকবেন। বাকিটা সময় হাতের কাজ তৈরিতে কাটবে। আপনার চোখ কম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

৩. পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান
পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো মানেই মোবাইল বা ল্যাপটপে কম সময় খরচ করা। তাই অবসরে পরিবারের সঙ্গে আড্ডা মারুন। চোখ থাকবে সতেজ।

৪. পুষ্টিকর খাবার খান
বাদাম, আখরোট, মাছ এবং সাইট্রাস ফল ডায়েটে রাখুন। এগুলি পুষ্টি বাড়ায়। চোখ ভালো রাখে। কিছু খাবার আপনার চোখের জন্য ভাল। ওবেসিটি, টাইপ ২ ডায়াবেটিস কমায়। মাছের মধ্যে থাকা মেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড অন্ধত্ব দূর করে।

৫. আলোর তলায় বসে কাজ করুন
অন্ধকারে বসে মোবাইল বা ল্যাপটপ দেখবেন না। এতে চোখ বেশি করে খারাপ হবে। উজ্জ্বল আলোর নীচে বসে কাজ করুন বা অনলাইনে থাকুন। সমস্যা কম হবে।

সূত্র: এনডিটিভি

আবিষ্কার হয়েছে ‘করোনার ওষুধ’ : ১২ এপ্রিল থেকে বিনামূল্যে সরবরাহ

গবেষকগণ দাবি করেছেন, করোনাকে কাবু করার সবচেয়ে কার্যকরী ওষুধ তৈরি করে ফেলেছেন তারা। করোনা থেকে রক্ষা পেতে ওষুধ আবিষ্কারের দাবি করেছেন জাপানের বিজ্ঞানীরা। আশার কথা হলো, এটি এখন বাংলাদেশেও তৈরি হচ্ছে।

জাপানের ফুজিফিল্ম তয়োমা ফার্মাসিউটিক্যালস লি. তৈরি করেছে ফ্যাভিপিরাভির ‘অ্যাভিগান’ নামে ট্যাবলেট। যা কিনা করোনা ভাইরাসকে কার্যকরভাবে মেরে ফেলতে সক্ষম। এরই মধ্যে অন্তত ডজনখানেক ওষুধ যেমন- ফ্যাভিপিরাভির, রেমডেসিভির, ইন্টারফেরন আলফা টুবি, রিবাভিরিন, ক্লোরোনকুইনিন, লোপিনাভির এবং আরবিডল কভিড-১৯ চিকিৎসার সারিতে জমা হয়েছে। সরাসরি নভেল করোনাভাইরাসের জন্য তৈরি না হলেও অন্য ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করা ড্রাগ করোনাভাইরাস ঠেকাতে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার শুরু হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় ট্যাবলেট অ্যাভিগান তৈরি করছে জাপানের ফুজি ফিল্ম কোম্পানির সাবসিডিয়ারি ওষুধ কোম্পানি তয়োমা কেমিক্যাল। ট্যাবলেটটির জেনেরিক নাম ফ্লাভিপাইরাভির। ওষুধটি এখন বাংলাদেশের বেক্সিমকো ও বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস তৈরি শুরু করছে বলে দেশের একটি জাতীয় পত্রিকার অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস ১২ এপ্রিল ওষুধটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ঔষধ প্রশাসনে হস্তান্তর করবে। ওষুধ‌টি সরকারকে সরবরাহ করার পাশাপাশি যে সমস্ত হাসপাতালে করোনা রোগী আছে সেখানেও সরবরাহ করা হবে। তবে এখনই ফার্মেসিতে সরবরাহ করা হবে না। ম্যাটেরিয়াল স্বল্পতার কারণে মাত্র ১০০ রোগীর জন্য ওষুধটি তৈরি হবে, তবে এ মাসের মধ্যেই ওষুধটি উৎপাদন বাড়াতে পারবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস যে সমস্ত হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তি আছে সেখানে ওষুধটি পৌঁছে দেবে। প্রতিটি ট্যাবলেটের দাম ৪০০ টাকা হলেও এখন এটি বিনামূল্যে আক্রান্ত রোগীদের সরবরাহ করা হবে।

ওষুধটি প্রস্তুতের পেটেন্ট জাপানের হলেও অনুন্নত দেশ হিসেবে তারা বাংলাদেশকে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত ওষুধটি প্রস্তুতের অনুমোদন দিয়েছে।

ফ্লাভিপাইরাভির ওষুধটি কভিভ-১৯ রোগের সুনিশ্চিত চিকিৎসা নয়, তবে ১২০ জন রোগীর ওপরে পরীক্ষা করে সাফল্য পাওয়া গেছে। আক্রান্ত তরুণ রোগীদের ওপর ওষুধটি ব্যবহার করে সাত দিনে এবং বয়স্কদের ওপর ব্যবহার করে নয় দিনে কোভিড-১৯ নেগেটিভ হয়েছে। ফ্লাভিপাইরাভির ওষুধটির সাথে ওরভেসকো নামক আরও একটি ওষুধ মিলিয়ে ট্রায়ালগুলো করা হয়েছে।

জাপান, তুরস্ক এবং চায়না ওষুধটি ব্যবহার করছে। কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের তিনটি পর্যায়- সাধারণ, মাঝারি ও মারাত্মক। এই তিন ক্ষেত্রেই ওষুধটি কার্যকর। গর্ভস্থ শিশুর ওপর ওষুধটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে।

প্রসঙ্গত, গত ৮ এপ্রিল অসম্পাদিত ‘মেডিকেল আর্কাইভ’ নামে এক প্রি-প্রিন্ট জার্নালে প্রকাশিত চীনের উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিংহুয়ান ওয়াং-এর নেতৃত্বে এক গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়, ক্লিনিকাল ট্রায়ালে অ্যাভিগান জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট আর এক ওষুধ আরবিডলের সাথে তুলনায় কার্যকরী যা করোনাভাইসের চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

তাদের গবেষণা বলছে, অ্যাভিগান ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য গত ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত চীনের উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের জংগান হাসপাতাল উহান লেসেশান হাসপাতাল এবং হুবেই প্রদেশের আর একটি হাসপাতালে ২৩৬ জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত মাত্র সাত দিনের মধ্যে অন্তত ৬১ শতাংশ রোগী ৭ দিনে জ্বর, কাশি থেকে মুক্ত হোন। এছাড়া এইসব রোগীদের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য কৃত্রিম অক্সিজেন সরবরাহ করার প্রয়োজন পড়েনি।

এন্টিভাইরাল ওষুধের মধ্যে অন্যতম জাপানের ফুজিফিল্ম তয়োমা ফার্মাসিউটিক্যালস লি.-এর তৈরি ফ্যাভিপিরাভির অ্যাভিগান। যেটি ২০১৪ সাল থেকে ইনফ্লুয়েঞ্জার চিকিৎসার জন্য তৈরি করা হয়। চীন উহানে কোভিড-১৯ ব্যাপক প্রাণহানির পর সেই দেশের সরকার গত মার্চে দাবি করে, এভিগান ওষুধ ‘কোভিড-১৯’ প্রতিরোধে ভাল কাজ দিয়েছে। চীনের দাবির এক মাসের মধ্যে জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রী কাতসুনোবু কাতো ইঙ্গিত দেন যে ‘এভিগান’ কোভিড -১৯-এর বিরুদ্ধে পরীক্ষা করার পরিকল্পনা করছে।

আর এরপরই মূলত কোভিড-১৯ জন্য অ্যাভিগানকে প্রস্তুত করতে উঠে পড়ে লাগে জাপান। এর মধ্যে গত ৩১ মার্চ ফুজিফিল্মর প্রেসিডেন্ট জুনিজি ওকাদা এক বিবৃতিতে, ফ্যাভিপিরাভিরের জেনরিকের অ্যাভিগান তৃতীয় ধাপে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছে দাবি করেন। কোভিড-১৯ মহামারি রুখতে বিশ্বের অন্যন্য দেশের চাহিদা অনুযায়ী জাপান সরকারের পরামর্শক্রমে তারা এই ওষুধ সরবরাহ করবে জানান।

Tagged

করোনায় মৃতের দেহ থেকে সংক্রমণ ছড়ায় না : আইইডিসিআর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মৃতদেহ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো সংক্রমণ ছড়ায়নি। ফলে এদের দাফন কার্যক্রম পরিচালনায় যারা আছেন তাদের কোনো দুশ্চিন্তা নেই বলে জানিয়েছেন রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। গত ২৭ মার্চ সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে লাইভ ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা জানান।

ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘সংক্রমণটা ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে যখন রোগীকে গোসল করানো হয়। যারা এই কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত, তাদেরকে পিপিই দিয়ে সহযোগিতা করি। ফলে সেটা তাদের কাছ থেকে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে না।’

তবুও দাফনকার্যের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত তাদের আশঙ্কা যাতে দূর হয় সে ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘মৃত ব্যক্তিদের দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আমরা পরীক্ষা করেছি এবং করছি। এখনো পর্যন্ত কোনো সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েনি। ফলে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগের কিছু নেই।’

করোনা আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির দাফন জেলা প্রশাসক সিভিল সার্জনসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সহযোগিতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, ‘করোনা আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে যদিও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। আমরা নিশ্চিত করছি, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে।’

এছাড়াও দাফনের সময় সমস্ত ধর্মীয় নিয়ম মেনেই এ কার্যক্রম করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। করোনা রোগে মৃত ব্যক্তির দাফন বা সৎকারসংক্রান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রটোকল অনুযায়ী সরকারি নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে। সে অনুযায়ী মৃতদেহ থেকে অতিরিক্ত ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে নির্দেশনাটিতে হাসপাতাল বা বাড়ি থেকে মৃতদেহ সংগ্রহ, পরিবহন, দাফনসহ প্রতিটি পর্যায়ের বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। আর সে অনুযায়ী কাজ করছে আইইডিসিআর।

Tagged ,

সাইনোসাইটিসের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে করণীয়

সাইনোসাইটিসের (সাইনাসের সমস্যা) সমস্যায় অনেককেই ভুগতে হয়। সারাক্ষণ নাক-মাথা ভার লাগা, মাথায় অস্বস্তি, কপালে অস্বস্তি-সহ নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় এই সাইনোসাইটিসের ফলে। ওষুধ খেয়েও ভালো ফল পাওয়া যা না। তাই আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক কেনো হয় এই সাইনোসাইটিসের সমস্যা এবং এর থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়।

সাইনোসাইটিসের কারণ: মুখের হাড়ের ভিতরে চার জোড়া ফাঁপা বায়ুপূর্ণ জায়গা আছে যেগুলিকে সাইনাস বলা হয়। যদি কোনো কারণে সাইনাসের ভেতরের ঝিল্লির মধ্যে জ্বালা করতে থাকে তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে।

১. সাইনোসাইটিসের সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে প্রচুর পানি পান করুন। প্রচুর পরিমাণে পানি খেলে শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে তা ধীরে ধীরে শরীর থেকে সহজেই বেরিয়ে যায়। তাই সাইনোসাইটিসের সমস্যা শুরু হলে সারাদিন প্রচুর পানি খাওয়ার চেষ্টা করুন।

২. রসুনের মধ্যে রয়েছে একাধিক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। রসুন শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকের মতোই কাজ করে। তাই প্রতিদিন অন্তত এক কোয়া রসুন খেতে পারলে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ জনিত সমস্যা বা সাইনোসাইটিসের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়া প্রতিদিন ২ কোয়া রসুন ২ চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দু’বার খেলে সাইনোসাইটিস সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

৩. প্রতিদিন এক চামচ পেঁয়াজের রস এক চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে সাইনোসাইটিসের সমস্যা অনেকটা কমে যাবে। এছাড়া, এক চামচ আদা কুচির সঙ্গে এক চামচ মধু খেলে সাইনোসাইটিসের কারণে হওয়া মাথাব্যথা থেকে কিছুটা রেহাই মিলবে।

৪. কম জলীয় বাষ্পযুক্ত স্থানে সাইনোসাইটিসের সমস্যা বেড়ে যায়। তাই যেখানে বাতাসে জলীয় বাষ্প বা আর্দ্রতার পরিমাণ স্বাভাবিক, তেমন জায়গায় থাকতে চেষ্টা করুন। স্যাঁতসেঁতে বা অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়া এড়িয়ে চলুন। পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আছে এমন জায়গায় থাকার চেষ্টা করুন।

৫. সাইনোসাইটিস সমস্যায় গরম পানির ভাপ বা সেঁক (Vapour) নিতে পারলে দ্রুত উপকার মেলে। সাইনোসাইটিস সমস্যায় এটি একটি অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি। গরম পানির ভাপ বা সেঁক নিলে আমাদের নাসিকা-পথ ভেজা থাকবে এবং সহজেই শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে বেরিয়ে আসবে। তাই গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে নিয়ে দিনে ২ বার করে সেঁক (Vapour) নিন।

৬. সিগারেটের ধোয়া, ধুলোবালি, হেয়ার স্প্রে, বডি স্প্রে ইত্যাদি জিনিসগুলো থেকে দূরে থাকুন। এ ধরণের জিনিসগুলো নাসিকা পথে ঢুকে যায় এবং সাইনোসাইটিস সমস্যা বাড়ায়। রাস্তায় বের হলে নাকে কাপড় দিয়ে রাখুন বা মাস্ক পড়ে নিন। তাহলে ধুলোর সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে এবং সাইনোসাইটিসের সমস্যার আরামও পাওয়া যাবে।

৭. যখন বাইরে বের হবেন তখন তো আর গরম পানির ভাপ বা সেঁক নেওয়া সম্ভব না। তাই বাড়ির বাইরে যতক্ষণ থাকবেন, চেষ্টা করবেন কিছুক্ষণ পর পর চিনি ছাড়া গরম চা, কফি বা স্যুপ খাওয়ার। গরম তরল খাবারগুলো খেলে শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে আসে এবং সহজে পরিষ্কার হয়ে যায়।

৮. সাইনোসাইটিসের কারণে নাকে, মাথায় বা কপালে অস্বস্তি হলে গরম পানিতে একটি তোয়ালে ভিজিয়ে ভালো করে নিংড়ে নিন। এর পর এই তোয়ালেটা মুখের উপর দিয়ে কিছু ক্ষণ শুয়ে থাকুন। এই পদ্ধতিতে সাময়িকভাবে অনেকটা আরাম পাওয়া যায়।

Tagged , , ,