রাহবার আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বর্তমান মুসলিম বিশ্বের অন্যতম সেরা ইসলামিক স্কলার, পাকিস্তানের গর্ব, বাতিল ফেরকার বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর জামিয়া ফারুকিয়া করাচির মুহতামিম হযরত মাওলানা সলিমুল্লাহ খান রহ. এর যোগ্য উত্তরসূরী মাওলানা ডক্টর আদিল খান সাহেব ১০ অক্টোবর রোজ শনিবার জামিয়া দারুল উলুম করাচিতে মাগরিবের নামায আদায় করেন। নামাযের পর হযরত মুফতি মুহাম্মদ রফি উসমানি এবং হযরত মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি হাফি. সহ দারুল উলুম করাচির অন্যান্য উলামায়ে কেরামের সাথে দ্বীনী বিষয়ে পরামর্শ করেন। সেখান থেকে বের হয়ে নিজ প্রতিষ্টান জামিয়া ফারুকিয়া যাওয়ার পথে সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনি, তার পুত্র ও তার গাড়ির ড্রাইভার শাহাদাৎ বরণ করেন।

বর্তমান সমকালীন সময়ে মাওলানা ডক্টর আদিল খান রহ. প্রায় একাই বাতিল ফিরকাগুলোর জন্য সবচেয়ে বড় আতংক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

কয়েকদিন আগে যখন শিয়া গোষ্ঠী সাহাবায়ে কেরামের শানে জঘন্য মন্তব্য করে তখন মাওলানা ডক্টর আদিল খান রহ. ও শাইখুল ইসলাম মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি হাফি. এর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে পাকিস্তানের আপামর জনতা শিয়াদের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেন। শিয়া গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তারা উভয়ে অন্যান্য সকল ফিরকাগুলোকে এক সুতোয় নিয়ে এসেছিলেন। সবচেয়ে প্রভাবশালী জেনারেল বাজওয়াকে তিনি শিয়া ও অন্যান্য বাতিল ফিরকা সম্পর্কে হুংকার ছেড়ে সতর্ক করেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে এটাই তার শাহাদাৎ এর কারন।

কর্মপন্থায় তিনি হুবহু তার পিতা হযরত মাওলানা সলিমুল্লাহ খান রহ এ-র মতো করে সামনে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। সবাই তাকে পিতার যোগ্য উত্তরসূরী বলে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। তার পিতা ও ঠিক একইভাবে বাতিলের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার কারনে সন্ত্রাসী দের গুলিতে শাহাদাৎ বরণ করেন। ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে তাকেও বাবার মত শাহাদাৎ বরণ করতে হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা তাঁর শাহাদাতকে কবুল করুন৷